• রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
যুব ও ছাত্রদল নেতার হামলায় গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহত বরিশালে সদ্য নিয়োগ পাওয়া সিভিল সার্জনকে বদলী প্রকাশ্যে অরক্ষিত অবস্থায় চায়ের দোকানে বসে পরীক্ষকের এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন ঢাবির ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ১১ নভেম্বর ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৭০ টাকা বরিশাল সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা স্ত্রী-শাশুড়িকে খুন করে থানায় হাজির হলেন যুবক যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করতে ঢাকার চারপাশের নৌ-পথগুলো সচল করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কীর্তন অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে নৌকাডুবি, নিহত ২ পুলিশের যানবাহনে নাশকতার শঙ্কা, দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

মেয়েকে হত্যার পর মরদেহ রাস্তায় ফেলে যান , ১০ দিন পর গ্রেপ্তার বাবা

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

খুলনা নগরের নিরালা প্রান্তিকা আবাসিক এলাকায় বস্তাবন্দী অবস্থায় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরফানা হোসেন নির্জনার (১৬) মরদেহ ফেলে পালিয়ে গিয়েছিলেন বাবা। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের ১০ দিন পর র‍্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন ওই হত্যা মামলার প্রধান আসামি সেই বাবা।

শনিবার (১৮ জুলাই) বেলা পৌনে তিনটার দিকে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া বাজার এলাকার একটি চায়ের দোকান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম আলিম হোসেন ওরফে আকাশক। তিনি খুলনা নগরের বসুপাড়া বাঁশতলা এলাকার বাসিন্দা।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (খুলনা জোন) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর থেকেই আলিম হোসেনকে ধরতে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছিল। তবে তিনি ক্রমাগত নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে পুলিশকে ফাঁকি দিচ্ছিলেন। শুক্রবার রাতেও তাঁকে ধরার একটি প্রস্তুতি ভেস্তে যায় স্থান পরিবর্তনের কারণে। শনিবার তিনি আবারও ডুমুরিয়া বাজার এলাকায় ফিরে এলে যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। বর্তমানে তাকে সদর থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং আগামীকাল রোববার আদালতে পাঠানো হবে।

এর আগে গত ১১ জুলাই কেএমপি সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান জানান, আরফানার মা আরিফা ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই বাবার বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হয়েছিল।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...