
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিদায় ঘণ্টা বেজে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারী।
তিনি বলেছেন, “আমরা তারেক রহমানকে সুযোগ দিতে চাইতাম কিন্তু দিল্লীর পথে কেউ যদি যায়, তাকে এক সেকেন্ডও সুযোগ দিতে চাই না। আগামীর বাংলাদেশ হবে শহিদ ওসমান হাদির বাংলাদেশ। আমাদের স্লোগান তারেক তুই কবে যাবি, বাংলাদেশ মুক্তি পাবে।”
রংপুর জিলা স্কুল মাঠে শনিবার রাত ৮টায় ৯ দফা দাবিতে ঢাকা-রংপুর লংমার্চ কর্মসূচির সমাপনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
পাটওয়ারী বলেন, “একটা সময় পত্রিকার হেডলাইন ছিল গভর্মেন্ট গেছে পাগল হইয়া, এখন তারেক রহমানের সরকার লংমার্চ দেখেই পাগল হইয়া গেছে। ঢাকা শহরে সমাবেশ হলে কি হবে সেটার কোনো গ্যারান্টি নাই। আমরা কথা এবং কাজে বিশ্বাস রাখি।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনে যেমন ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে, নির্বাচনের পরে তা নিয়ে আমরা কথা বলতে পারতাম, দেশে অস্থিতিশীলতা বাড়তো। আমরা তা না করে ধীরে ধীরে এগুচ্ছি।”
১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে প্রথমেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে দাবি করেন তিন।
তিনি বলেন,“বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদককে আমি সন্ত্রাসী বলায় অনেকেই আমার বিরোধীতা করেছিল। পরে গিয়ে দেখি আসলেই লোকটি সন্ত্রাসী। আপনারা জানেন লোকটা কে। তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে, হয় নাই।”
পাটওয়ারী বলেন, “চায়নায় (প্রধানমন্ত্রী) গিয়েছে ভারতের সাথে কথা বলে, পরে এসে বলে ‘আমরা নিজেদের টাকা তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব’- মুরোদ নাই।”
তিনি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেখানে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির আখড়া, জনতা সেখানেই গিয়ে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেবে।