
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক দম্পতির ১৩ বছর বয়সী ছেলে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তের পরিধি ক্রমেই বাড়ছে। একের পর এক সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনছে পুলিশ।
অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারে ঘটনায় তুহিন নামে এক যুবককে আটকের পর সন্দেহজনকভাবে ফাহিম, আনাস নামের আরও দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ওসি মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বলেন, “সন্দেহভাজন তুহিন, আনাস ও ফাহিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে”।
কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানিয়েছেন, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্লু পাওয়া গেছে। সন্দেহভাজন এক যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশ সুপার বলেন, “তদন্তে একাধিক দল মাঠে কাজ করছে। আটক যুবকের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হতে আরও সময় প্রয়োজন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার মোবাইল ফোনের তথ্য এবং সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করা হচ্ছে। এসব তথ্য বিশ্লেষণের পরই তার ভূমিকা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। যাকে আটক করা হয়েছে, তিনি নির্দোষও হতে পারেন, আবার ঘটনার সঙ্গে জড়িতও হতে পারেন”।
সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, অপ্রতিমের নিখোঁজের পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। সেখানে অপ্রতিমের সঙ্গে তুহিনকে দেখা যায়। পরে তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আনাস ও ফাহিম আহমেদকে আটক করা হয়েছে। দুইজনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।