• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আল্ট্রাসনোগ্রামে যমজ সন্তান, অস্ত্রোপচারের পর এক সন্তান উধাও মোটরসাইকেলসহ সকল চালকদের জন্য নতুন নির্দেশনা মাদারীপু‌রে খাল থেকে ব্যবসায়ী যুবকের লাশ উদ্ধার মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধ, হামলায় বিএনপি নেতার মৃত্যু বিয়ের ৮ বছর পর অবিবাহিত সেজে সেনাবাহিনীতে চাকরি নেন তরুণী আমাকেও নিয়ে যাও, আমি কেমনে থাকব!’ স্বামীকে হারিয়ে স্ত্রীর আহাজারি দেয়ালে ‘ফিরছি আবার ডিসেম্বর’, ছাত্রীদের দাবি ‘ইয়ার্কি’ শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের বাড়িতে নাতনির ঝুলানো সাইনবোর্ড ভাঙল এনসিপি নেতারা এবার খুলনায় রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি লেপন সরকার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে কাজ করার সুযোগ দিচ্ছে, অভিযোগ নাহিদের

কুপিয়ে মায়ের মাথা বিচ্ছিন্ন, ১৭ ঘণ্টা পর ছেলে গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

যশোরে মাকে কুপিয়ে দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যার ঘটনায় শিক্ষক ছেলে মামুনুর রশিদকে (৪৩) গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

হত্যাকাণ্ডের ১৭ ঘণ্টার মধ্যেই শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে যশোর সদর উপজেলার তেঘরিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকাল ৪টার দিকে যশোর সদরের বাজেদুর্গাপুর এলাকায় এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহত আনোয়ারা খাতুন (৬৫) অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. আলতাফ হোসেনের স্ত্রী।

পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় মামুনুর রশিদ বাড়িতে এসে মায়ের কাছে গোসলের জন্য গামছা চান। এ সময় তার দুই স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার বিষয় নিয়ে মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মা ঘরের দিকে যাওয়ার জন্য পেছনে ফিরলে পাশে থাকা তরকারি কাটার বঁটি দিয়ে তার পিঠে কোপ দেন মামুনুর রশিদ। তিনি মাটিতে পড়ে গেলে মুখমণ্ডল, মাথা, পিঠ ও হাতে একাধিক কোপ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সর্বশেষ তার মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান মামুন।

হত্যাকাণ্ডের পর নিজের মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে আত্মগোপনে চলে যান মামুনুর রশিদ। পিবিআইয়ের ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। স্থানীয় তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে শুক্রবার সকালে তেঘরিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পিবিআই জানায়, মামুনুর রশিদ একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক। তার দুই স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার পেছনে মায়ের ভূমিকা রয়েছে বলে তিনি ধারণা করতেন। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে মায়ের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।

এ ঘটনায় নিহতের আরেক ছেলে মঞ্জুর হাসান বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন। পরে পিবিআই স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে।

পিবিআই যশোর জেলা ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান জানান, হত্যাকাণ্ডের পরপরই আসামি মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যার ১৭ ঘণ্টার মধ্যেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...