• মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ডিসেম্বরে বক্স অফিসে মুখোমুখি শাহরুখ ও নাগার্জুনের ‘কিং’ ২০তম এশিয়ান গেমসে সার্ফিংয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছে কক্সবাজারের ফাতেমা কালকিনিতে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ দুই আসামি গ্রেপ্তার বিক্রিয়কৃত জমি পুনরায় দখলের চেষ্টা বিক্রেতা আমিনুলের, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান সোনিয়া ৯ম পে-স্কেল অনুমোদন, সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার, সর্বনিম্ন ২০ হাজার নারীকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড সেপ্টেম্বরেও জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত চলন্ত বাসে ১৬ বছরের কিশোরীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ হাদি হত্যায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা পুলিশের সামনে নারীকে মারধর ভিডিও ভাইরাল, জানা গেল আসল ঘটনা

৩৭৫ সিসি ইঞ্জিনক্ষমতার মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ দিয়েছে সরকার

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

বাংলাদেশে সম্পূর্ণ তৈরি বা সিবিইউ অবস্থায় সর্বোচ্চ ৩৭৫ সিসি ইঞ্জিনক্ষমতার মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি এ বিষয়ে নতুন আমদানিনীতি আদেশের গেজেট প্রকাশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এর আগে ২০২১-২০২৪ সালের আমদানিনীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় ১৬৫ সিসির বেশি ইঞ্জিনক্ষমতার মোটরসাইকেল আমদানিতে বিধিনিষেধ ছিল। নতুন আমদানিনীতি আদেশে সেই সীমা বাড়িয়ে ৩৭৫ সিসি করা হয়েছে।

নতুন নীতি কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মাঝারি ও উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেল সরাসরি বাংলাদেশে আমদানির সুযোগ বাড়বে। এতে দেশের বাজারে নতুন মডেল ও ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

১৬৫ সিসির সীমার কারণে এতদিন যেসব আন্তর্জাতিক মডেল সরাসরি আমদানি করা সম্ভব ছিল না, নতুন নীতির ফলে সেগুলোর বাংলাদেশে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হবে।

তবে আমদানির সীমা বাড়ানোর ফলে স্থানীয় মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও বেশি প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নতুন আমদানিনীতি আদেশে মোটরসাইকেলের পাশাপাশি সামগ্রিক আমদানি প্রক্রিয়ায়ও বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এতে ঋণপত্র বা এলসির পাশাপাশি কোনো মূল্যসীমা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আমদানিকারকদের জন্য।

এ ছাড়া ফ্রি ট্রেড জোন বা মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল এবং সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের শিল্প খাতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমদানি সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য কাঁচামাল আমদানির সুযোগও বাড়ানো হয়েছে।

২০২১-২০২৪ সালের আমদানিনীতি আদেশেও এলসি ছাড়া ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে আমদানির সুযোগ ছিল। তবে বিভিন্ন পণ্য ও খাতের ক্ষেত্রে এ সুবিধার ওপর নির্দিষ্ট সীমা ও শর্ত আরোপ করা হয়েছিল।

নতুন আমদানিনীতি আদেশে এসব সুযোগ আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রচলিত পদ্ধতির সঙ্গে দেশের আমদানি ব্যবস্থাকে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...