• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গৃহবধূর আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, ইমাম গ্রেফতার কিছু শিল্পমালিকের বিরুদ্ধে সহিংসতায় জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পটুয়াখালীতে বিএনপি নেতাকে মারধর ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেটে নতুন নিয়ম, সামনে লিখবেন যেভাবে ফেসবুকে ‘ঢাকা দখলের’ ঘোষণার পর গুঠিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন এলিজা জামান আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, কাভার্ডভ্যানে আগুন স্ত্রীকে দায়ী করে চিরকুট লিখে যুবকের আত্মহত্যা এনসিপির নতুন ক্রীড়া সংগঠন ‘ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স’ আত্মপ্রকাশ আজ বরিশাল নগরীর জিয়া সড়কে মুক্তিযোদ্ধা আমিনুর রহমান খানের জমি জবর দখলের অভিযোগ

ভারতীয় ইলিশ পদ্মার বলে ১৮০০ টাকায় বিক্রি!

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

দুর্গাপূজায় যেন বাংলার ইলিশ ছাড়া চলে না ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাদের। পূজার আগে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয়া হবে কিনা, তা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বাজারে তৈরি হয় আগ্রহ। এবার অবশ্য পরিস্থিতি পুরোপুরি উল্টো। ভারত থেকেই ইলিশ আসছে বাংলাদেশে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে ১৯টি আমদানিকারকের মাধ্যমে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ এসেছে। এরমধ্যে আগস্টেই এসেছে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৬ কেজি। জুলাইয়ে এসেছিল ২৯ হাজার ৪৪০ কেজি। এসব ইলিশের আমদানি ব্যয় ছিল প্রায় ৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা।

বেনাপোল বন্দরে মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের পরিদর্শক আসাদুল আলম বলেন, মাছের গাড়ি ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের পর আমরা সরেজমিনে ওই মাছ পরীক্ষার পর ছাড়পত্র দিয়ে থাকি।

ভারতের পাশাপাশি মিয়ানমারের ইলিশও ঢুকছে দেশের বাজারে। যশোরের বড়বাজারে পদ্মার ইলিশ বলে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে এসব ইলিশ। প্রতি কেজির আমদানি ব্যয় ৫১৪ টাকা হলেও বিক্রি হচ্ছে ১৪শ’ থেকে ১৮শ’ টাকায়। তবে দেশি ইলিশের দাম দ্বিগুণ হওয়ায় ভারতীয় ইলিশ ঝুঁকছেন ক্রেতারা।

একজন ক্রেতা বলেন, ভারতীয় ইলিশ তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেখতে একই রকম। আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতাদের বোঝার উপায় নেই।

দেশীয় ইলিশের নামে ভারতীয় ইলিশ বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান ও মনিটারিংয়ের আশ্বাসের কথা জানালেন যশোরের জেলা প্রশাসক আশেক হাসান।

তিনি বলেন, মানুষজন প্রতারিত হচ্ছে, আমরা এটা নোটিশে নিলাম। আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে এবং মৎস্য অফিস এবং ভোক্তা অধিকার, সবাইকে আমি এই অভিযানে পাঠাব।

এদিকে, বাংলাদেশ থেকে ইলিশ নেয়ার জন্য আবেদন করেছে ভারতের মাছ আমদানিকারক সমিতি। অন্যদিকে বাংলাদেশের ১৮টি প্রতিষ্ঠান পশ্চিমবঙ্গে ইলিশ রপ্তানির অনুমোতি চেয়েছে। ব্যবসায়ীদের এই দ্বিমুখী বাণিজ্যের পেছনে ভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে বলে সন্দেহ স্থানীয়দের।

টিআইবি যশোর শাখার সভাপতি পাভেল চৌধুরি বলেন, এখানে সরকারের প্রধান ভূমিকা হওয়া উচিত, এ ধরনের দ্বিচারিতা কিংবা নিম্নমানের পণ্য বা মাছ যাতে আমাদের দেশে না আসতে পারে।

 

আমদানি মাছের সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করে বিক্রি করার পাশাপাশি বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন ক্রেতারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...