• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গৃহবধূর আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, ইমাম গ্রেফতার কিছু শিল্পমালিকের বিরুদ্ধে সহিংসতায় জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পটুয়াখালীতে বিএনপি নেতাকে মারধর ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেটে নতুন নিয়ম, সামনে লিখবেন যেভাবে ফেসবুকে ‘ঢাকা দখলের’ ঘোষণার পর গুঠিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন এলিজা জামান আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, কাভার্ডভ্যানে আগুন স্ত্রীকে দায়ী করে চিরকুট লিখে যুবকের আত্মহত্যা এনসিপির নতুন ক্রীড়া সংগঠন ‘ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স’ আত্মপ্রকাশ আজ বরিশাল নগরীর জিয়া সড়কে মুক্তিযোদ্ধা আমিনুর রহমান খানের জমি জবর দখলের অভিযোগ

দুর্গাপূজায় ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়েছে ১৮ প্রতিষ্ঠান

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

বাণিজ্যসচিব আতাউর রহমান খান জানান, ভারতীয় আমদানিকারকদের চিঠি ও দেশীয় রপ্তানিকারকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতে কী পরিমাণ ইলিশ পাঠানোর অনুমোদন দেওয়া হবে, তা নির্ধারণ করা হবে।

পূজা শুরুর আগেই ইলিশ আমদানির প্রক্রিয়া শেষ করতে জোর কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক তৎপরতা চালাচ্ছে ভারতের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পৃথক চিঠি পাঠিয়ে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই অনুমোদনের অনুরোধ জানিয়েছে। এ বিষয়ে সরাসরি আলোচনার জন্য সংগঠনটির পরিচালক উৎপল নাথ বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবও পাঠিয়েছেন।

অন্যদিকে প্রতিবারের মতো মাত্র ২০ থেকে ২৫ দিনের স্বল্প মেয়াদের বদলে এবার অন্তত দুই মাস বা দীর্ঘ মেয়াদে রপ্তানির সুযোগ চেয়েছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, নির্ধারিত স্বল্প সময়ে ঋণপত্র খোলা, মাছ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেজিংয়ের মতো আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা কঠিন হয়ে পড়ে।

রপ্তানির অনুমতি চাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায় রয়েছে খুলনার বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ, চট্টগ্রামের জেএস এন্টারপ্রাইজ ও আনরাজ ফিশ প্রোডাক্টস, যশোরের লাকি এন্টারপ্রাইজ, এমইউসি ফুডস, মোহতাব অ্যান্ড সন্স ও জনতা ফিশ। এ ছাড়া ঢাকার ভিজিল্যান্ট এক্সপ্রেস, স্বর্ণালী এন্টারপ্রাইজ, ম্যাজেস্টিক এন্টারপ্রাইজ ও বিডিএস করপোরেশন, বরিশালের মহিমা এন্টারপ্রাইজ, এআর এন্টারপ্রাইজ ও তানিশা এন্টারপ্রাইজ, ভোলার রাফিদ এন্টারপ্রাইজ এবং সাতক্ষীরার এমএ এন্টারপ্রাইজ ও সুমন ট্রেডার্স আবেদন করেছে।

বাণিজ্যিক তথ্যানুযায়ী, ১৯৯৬ সাল থেকে প্রতিবছর গড়ে প্রায় ৫ হাজার টন ইলিশ ভারতে পাঠানো হতো। ২০১২ সালে রপ্তানি বন্ধের পর ২০১৯ সাল থেকে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে বিশেষ বিবেচনায় পুনরায় সীমিত পরিসরে রপ্তানি শুরু হয়। তবে বিগত বছরগুলোতে অনুমোদনের তুলনায় প্রকৃত রপ্তানির পরিমাণ ছিল অনেকটাই কম। গত বছর ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত ভারতে গেছে মাত্র ১৫০ টন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...