• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গৃহবধূর আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, ইমাম গ্রেফতার কিছু শিল্পমালিকের বিরুদ্ধে সহিংসতায় জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পটুয়াখালীতে বিএনপি নেতাকে মারধর ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেটে নতুন নিয়ম, সামনে লিখবেন যেভাবে ফেসবুকে ‘ঢাকা দখলের’ ঘোষণার পর গুঠিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন এলিজা জামান আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, কাভার্ডভ্যানে আগুন স্ত্রীকে দায়ী করে চিরকুট লিখে যুবকের আত্মহত্যা এনসিপির নতুন ক্রীড়া সংগঠন ‘ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স’ আত্মপ্রকাশ আজ বরিশাল নগরীর জিয়া সড়কে মুক্তিযোদ্ধা আমিনুর রহমান খানের জমি জবর দখলের অভিযোগ

সঞ্চয়পত্র বিক্রি অব্যাহত রাখার নির্দেশ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

সঞ্চয়পত্র বিক্রি অব্যাহত রাখা এবং গ্রাহকদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহীদের (সিইও) নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বুধবার {২৪ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন পর্যায়ে অভিযোগ ওঠে, তালিকাভুক্ত কিছু তফসিলি ব্যাংক সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে অনীহা দেখাচ্ছে এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় গ্রাহকদের সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ থেকে নিরুৎসাহিত করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন পর্যায়ের গ্রাহকদের কাছ থেকে এমন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে যে, সঞ্চয়পত্র বিক্রির অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক গ্রাহকদের সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত করছে। এ প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সঞ্চয়পত্র রুলস, ১৯৭৭-এর অনুচ্ছেদ-৩ অনুযায়ী বিনিয়োগকারীদের কাছে সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান এবং সেবার মান নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছে। পাশাপাশি ব্যাংক শাখাগুলোতে সঞ্চয়পত্র সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়মিত তদারকির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গ্রাহকদের তাৎক্ষণিক অভিযোগ গ্রহণের ব্যবস্থা শাখাগুলোর দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন এবং অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে চার ধরনের সঞ্চয়পত্র চালু রয়েছে। এগুলো হলো পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র।

পরিবার সঞ্চয়পত্র ছাড়া অন্য সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়ই বিনিয়োগ করতে পারে। মেয়াদপূর্তিতে এসব সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ থেকে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা পাওয়া যায়। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের পাশাপাশি তফসিলি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমেও সঞ্চয়পত্র বিক্রি করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...