• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পরকীয়ার অপবাদে নারী-পুরুষকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন বরিশালে বিদ্যুতায়িত হয়ে দগ্ধ মানসিক ভারসাম্যহীন সবুজের মৃত্যু ঢাকা ওয়াসার নতুন এমডি নিয়োগ, এক সচিবকে প্রত্যাহার স্বামীর কাছে ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবির মামলায় স্ত্রী কারাগারে নতুন দায়িত্ব পেলেন ৩ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা গ্রেপ্তার চীনের তৈরি জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার পথে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা প্রায় ১০ ঘণ্টা পর বরিশালে বাস চলাচল স্বাভাবিক, অবরোধে চরম ভোগান্তি নিখোঁজের চার দিন পর মাটি খুঁড়ে কলেজছাত্রের লাশ উদ্ধার রংপুরে ৪ হত্যা, ‘সিসিটিভি ক্যামেরার ভয়েই বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন করেন সিদ্ধার্থ’

রংপুরে ৪ হত্যা, ‘সিসিটিভি ক্যামেরার ভয়েই বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন করেন সিদ্ধার্থ’

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

রংপুরে সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার পর বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকতে পারে এবং সেখানে নিজেদের উপস্থিতি ধরা পড়তে পারে এই ভয়ে খুনিরা বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছিলেন বলে দাবি করেছে পুলিশ।

মামলার তদন্তকারী সংস্থা রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সহকারী কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী মঙ্গলবার বলেন, “চারজনকে হত্যার পরও বাড়ির ভেতরে নিজেদের উপস্থিতির আলামত থেকে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল সিদ্ধার্থ দাসের। বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকতে পারে- এমন সন্দেহ থেকেই হত্যাকাণ্ডের পর বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন তিনি। এ সময় বৈদ্যুতিক মিটারের তার কাটতে গিয়ে শর্টসার্কিটও হয়, ফলে পুরো বাড়ি বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।”

শনিবার রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর লাশ উদ্ধার করা হয়।

রোববার ভোরে মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা দুজনই নিহত পরিবারের বাড়ির আশপাশের এলাকার বাসিন্দা এবং পরস্পরের আত্মীয়। ওইদিন বিকালেই তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

গ্রেপ্তারের পর তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের এই তথ্য পাওয়া যায় বলে গোয়েন্দা পুলিশ জানায়।

ডিবি কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তী বলেন, “পুলিশের কাছে কিছু বিষয় গোপন করলেও আদালতে দুই আসামিই পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন।”

আসামিদের গ্রেপ্তার ও সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের দেওয়া বক্তব্য নিয়ে মানুষের মনে প্রশ্নের বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, “স্থানীয়দের সহায়তায় সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ড নিয়ে বাইরে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অপচেষ্টা হচ্ছে। তবে পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করার চেষ্টা করছে।”

তার ভাষায়, “পুলিশ সঠিক পথেই তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করছে পুলিশ।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...