• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হিন্দু ছাত্রীকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ের অভিযোগ এক কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে বরিশাল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সুমন চৌধুরী, সম্পাদক সাঈদ পান্থ ঘর ভাড়া পরিশোধে অসহায় মায়ের মাথার চুল বিক্রি স্কুল শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ালেই এমপিও বাতিল হবে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত বিশ্বজুড়ে একযোগে ৫৯ হাজার পর্দায় মুক্তির অপেক্ষায় ‘রামায়ণ’ মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: ডা. জুবাইদা রহমান যুক্তরাষ্ট্র সব শর্ত মানলেই খুলবে হরমুজ প্রণালী: ইরান জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: ডা. শফিকুর রহমান বন্ধ গোডাউনে মিলল অজ্ঞাত ব্যক্তির গলিত লাশ

বরিশালে ফিতা কেটে বাঁশের সাঁকো উদ্বোধন করলেন বিএনপি নেতা

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

বরিশালের উজিরপুর পৌরসভায় বাঁশ ও সুপারি গাছ দিয়ে তৈরি একটি অস্থায়ী সাঁকো লাল ফিতা কেটে উদ্বোধন করেছেন পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম খান। উদ্বোধনের সময় ঢোল-বাদ্য, গান ও মিষ্টি বিতরণের আয়োজন করা হয়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উজিরপুর পৌরসভার ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী স্থানে স্থানীয় বাসিন্দাদের অর্থায়নে প্রায় ২০০ ফুট দীর্ঘ সাঁকোটি তৈরি করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে লাল ফিতা কেটে সাঁকোটির উদ্বোধন করেন শহিদুল ইসলাম খান।

উদ্বোধন উপলক্ষে সাঁকোটি ফুল ও বেলুন দিয়ে সাজানো হয়। ফিতা কাটার পাশাপাশি ঢোল-বাদ্য ও বয়াতিদের গান পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়। উপস্থিত নারী-পুরুষের মধ্যে মিষ্টিও বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এ নিয়ে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ কেউ এ ধরনের আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাদের মতে, স্থানীয় বাসিন্দাদের যোগাযোগের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য অস্থায়ী বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে টেকসই ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আবার কেউ কেউ এটিকে এলাকাবাসীর নিজেদের উদ্যোগে তৈরি করা সাঁকোর উদ্বোধন হিসেবে ইতিবাচকভাবে দেখেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উজিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম খান বলেন, সাঁকোটি উদ্বোধনের কোনো আগাম প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি জানতেন না। এলাকার নারী-পুরুষ ও শিক্ষার্থীরা চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়ছিলেন। এ কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের অর্থায়নে বাঁশ ও সুপারি গাছ দিয়ে সাঁকোটি তৈরি করেন।

শহিদুল ইসলাম খান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে আমাকে সেখানে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে দেড় থেকে দুই শ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তারা লাল ফিতা কেটে সাঁকোটি উদ্বোধনের অনুরোধ করলে আমি তা করি। এর মধ্যেই গান-বাজনা ও মিষ্টি বিতরণের আয়োজন করা হয়। এটি সম্পূর্ণ এলাকাবাসীর উৎসাহে হয়েছে।’

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, ওই এলাকায় চলাচলের জন্য দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী যোগাযোগব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে। অস্থায়ী সাঁকোটি তাদের সাময়িকভাবে চলাচলের সুযোগ করে দিলেও এর স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...