ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘তারপর হঠাৎ ট্রাকটি পুরো গতিতে এসে এইভাবে আমাদের ধাক্কা দেয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘সৌভাগ্যবশত আমি এবং আরেকজন ভিক্ষু সময়মতো লাফিয়ে সরে যেতে পেরেছিলাম।’
তিনি জানান, ‘সারিতে থাকা প্রথম নয়জন ভিক্ষু বেঁচে যান। কিন্তু বাকিরা যারা ধাক্কা খেয়েছিলেন, তারা শূন্যে ছিটকে পড়েন।’ পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে পাঁচজন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়।
স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মুকদাহান হাসপাতালে চারজন ভিক্ষু আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন এবং আরও ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন, এছাড়া আরও কয়েকজন সামান্য আঘাতের জন্য চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ছেলেটি তার বাবা-মায়ের অনুমতি ছাড়াই পিক-আপ ট্রাকটি নিয়েছিল এবং পরে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভিক্ষুদের ধাক্কা দেয়। পুলিশ আরও জানিয়েছে যে, ছেলেটি এখন পুলিশি হেফাজতে আছে এবং রাষ্ট্রীয় শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তারা পৌঁছালে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
মুকদাহান প্রাদেশিক পুলিশের কমান্ডার মেজর জেনারেল পাইরোজ থাইফুৎসা সাংবাদিকদের বলেন, ‘সন্দেহভাজন একজন শিশু। দুর্ঘটনার কারণ নির্ণয়ের জন্য গাড়িটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শিশুটির বাবা-মাকে আসতে বলেছি, যাতে আমরা শিশুটির দেখভালের দায়িত্বে কে আছে তা নির্ধারণ করতে পারি এবং আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।’
থাইল্যান্ডে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় এবং বুদ্ধের শিক্ষা সংরক্ষণ ও প্রচারের দায়িত্বে নিয়োজিত। তারা প্রায়শই জনসমক্ষে শোভাযাত্রা করেন এবং সাধারণ থাই নাগরিকদের কাছ থেকে শুভেচ্ছার দান গ্রহণ করতে দেখা যায়।