• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পিৎজা, বার্গার, পোড়া তেলের সমুচা খেয়ে দেশটা রোগে ভরে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মৃত ভেবে দোয়া মাহফিলের, স্ত্রী’র অন্যত্র বিয়ে, ১৮ বছর পর সেই ব্যক্তি ফিরে আসেন বাড়িতে কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু বিয়ের অনুষ্ঠানের গেটে বরের কাছে বকশিশ চাওয়া নিয়ে দুপক্ষে মারামারি মানবপাচার মামলার আসামি ইলিয়াস গ্রেপ্তার দেশের সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হলেন কাজী সালাউদ্দিন যমজ কনে, যমজ বর, যমজ পুরোহিত, যমজ সহকারী – সম্পন্ন হলো ‘ঐতিহাসিক’ এক বিয়ে চারতলার সিঁড়ির রেলিং থেকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর শ্বাসনালিতে খাবার আটকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. দীপ্তি সাহার মৃত্যু

ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টিকারীরা জাতি, ধর্ম ও মানবতার শত্রু : তথ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

ধর্মীয় অনুভূতিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে সমাজ ও রাষ্ট্রে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী ধর্মীয় অনুভূতিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে সমাজ, রাষ্ট্র ও মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা চালায়। বাংলাদেশে যেমন এ ধরনের অপতৎপরতা দেখা যায়, তেমনি প্রতিবেশী রাষ্ট্রেও ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের নজির রয়েছে।

তিনি বলেন, ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টিকারীরা জাতি, ধর্ম ও মানবতার শত্রু। তাই এ ধরনের অপচেষ্টা সম্পর্কে সবাইকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। প্রকৃত ধর্মবিশ্বাসীরা কখনো অন্যের ধর্মবিশ্বাসকে অসম্মান করেন না। সব ধর্মের মানুষই নিজ নিজ উপায়ে সর্বশক্তিমানের সান্নিধ্য লাভের চেষ্টা করেন। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও মানবপ্রেমের ভিত্তিতেই প্রকৃত ধর্মচর্চা প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, নিজের ধর্মবিশ্বাসে অবিচল থেকে অন্য সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মধ্য দিয়েই একটি অসাম্প্রদায়িক, শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি বলেন, সরকার ধর্ম, বর্ণ, ভাষা কিংবা পাহাড়-সমতলের ভিত্তিতে কোনো বিভাজন মেনে নেবে না। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন সব ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, সংস্কৃতি ও জনগোষ্ঠীকে একটি অভিন্ন জাতীয় পরিচয়ের বন্ধনে আবদ্ধ করেছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বামীবাগ আশ্রমের অধ্যক্ষ ও ইসকন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক নিতাই স্বামী মহারাজ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...