• শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বরিশালে চাঁদার টাকা না পেয়ে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে ফল ব্যবসায়ীর চান্দিনা ভিটি দখলের অভিযোগ বরিশালে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চালক নিহত বগুড়ায় ১১ ঘণ্টার ব্যবধানে একই স্থানে দুর্ঘটনা সকালে প্রাণ গেল ৭ জনের, বিকালে স্বামী-স্ত্রী পুকুরে ভাসছিল ছেলের লাশ, গভীর ঘুমে ছিলেন মা বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়ায় নিয়ে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৫ গুলশানে আওয়ামী লীগের গোপন বৈঠক, গ্রেফতার ৬ আমি থাকি বা না-থাকি, নিরাপদ সড়কের আন্দোলন যেন অব্যাহত থাকে: ইলিয়াস কাঞ্চন খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ৬০ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন বরিশালের ইউএনও বিমান ও পর্যটন মন্ত্রীর পথসভা থেকে পিস্তলসহ যুবক আটক দিল্লির সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্য সমর্থন করে না ভারত

দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট বরিশালে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...
দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে গ্রামাঞ্চলের মানুষ সহজেই প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার।
শুক্রবার সকালে বরিশাল নগরীর একটি হোটেলের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত মাল্টি সেক্টোরাল অ্যাডভোকেসি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় ডিজিটাল স্বাস্থ্য কার্ড, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি, ইপিআই, এইচপিভি টিকাদান এবং ডিজিটাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ওপেন এসআরপি কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। ডিজিটাল স্বাস্থ্য কার্ড চালু হলে প্রত্যেক নাগরিকের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ করা যাবে। একই সঙ্গে দেশের যেকোনো স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাও সহজ হবে।
তিনি বলেন, সরকার চিকিৎসানির্ভর স্বাস্থ্যব্যবস্থা থেকে ধীরে ধীরে প্রতিরোধভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবার দিকে এগোচ্ছে। রোগ হওয়ার পর চিকিৎসার চেয়ে রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা বেশি কার্যকর। এ কারণে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারী ও কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজে লাগিয়ে প্রতিটি পরিবারের কাছে নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা, টিকাদান, মাতৃ ও শিশুসেবা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ পৌঁছে দেওয়া হবে।
মাঠপর্যায়ে দায়িত্বশীলতা, কার্যকর তদারকি ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে একটি আধুনিক ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ইউনিসেফ বাংলাদেশের হেলথ ম্যানেজার ডা. রিয়াদ মাহমুদ এবং পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক আবদুর রাজ্জাক।
সভায় বরিশাল বিভাগের সব সিভিল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...