• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন

উজিরপুরে যুবদল কর্মী কাওসার হত্যাকান্ডে দুই আসামির বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলায় যুবদল কর্মী কাওসার হাওলাদারকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামির বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে উত্তেজিত জনতা।

শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের আলামদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, আলামদী গ্রামের খালপাড় বড় ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় হত্যা মামলার প্রধান আসামি সজল মোল্লার বাড়ি এবং ভরচ্ছন্ন এলাকার নান্না মোল্লার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে উত্তেজিত জনতা।

স্থানীয় বাসিন্দা কামাল হাওলাদার বলেন, অগ্নিসংযোগের খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে কাউকে পায়নি।

উজিরপুর মডেল থানার ওসি মো. রকিবুল ইসলাম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অগ্নিসংযোগের স্থলে ফায়ার সার্ভিস যাওয়ার সুযোগ নেই। ফলে টিনের ঘর পুড়ে গেছে।

ওসি আরও জানিয়েছেন, কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা শনাক্ত করা যায়নি।

অপরদিকে শনিবার এশার নামাজের পর জানাজা শেষে নিহত কাওসারের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে নয়টার দিকে উজিরপুর উপজেলার প্রত্যন্ত পশ্চিম সাতলা এলাকায় যুবদল কর্মী কাওসার হাওলাদারকে (৩২) নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।

এ ঘটনায় থানা পুলিশ মাইক্রোবাস ও হত্যার কাজে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রসহ নয় জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

হত্যাকান্ড ঘটিয়ে ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার সময় শুক্রবার রাতেই উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সহয়তায় পদ্মা সেতু দক্ষিণ টোল প্লজা এলাকা থেকে ওই নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- উজিরপুর উপজেলার আলামদী গ্রামের ফরিদ মোল্লার ছেলে সজল মোল্লা ও শামীম মোল্লা , মোবারক মোল্লার ছেলে তরিকুল ইসলাম, মুলাদী থানার দড়িচর গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে সোহাগ, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার জাহিদ শেখের ছেলে সাগর শেখ, গেপালগঞ্জের ভুমদিয়া গ্রামের হাচান শেখের ছেলে হাসিব শেখ ও হাবিব শেখ, বরগুনা জেলার পাথরঘাটার মানিকখালী গ্রামের মালেক হাওলাদারের ছেলে মাহাবুবুর রহমান, ভোলার বোরহানউদ্দিন থানার বাটামারা গ্রামের লোকমান হাকিমের ছেলে শরীফ হোসেন।

হত্যাকান্ডের ঘটনায় শনিবার রাতে নিহতের মেজ ভাই মোস্তফা হাওলাদার বাদী হয়ে উজিরপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছেন, তুচ্ছ ঘটনা ও ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য পোস্ট করাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনার সময় উপস্থিত আহত ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রাশেদ আমিন জানিয়েছেন, আসামিরা দীর্ঘদিন থেকে এলাকায় মাদকের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলো। এর প্রতিবাদ করায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...