
২০২৭ সালের মধ্যে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, আগামী বছর থেকে দেশের ১ কোটি ১০ লাখ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর খাবারের আওতায় আনা হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়ার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চান তারা। ঝরে পড়া শিশু আর দেশে থাকবে না।
গতকাল সোমবার দুপুরে দিনাজপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্পের কার্যক্রম নিয়ে ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
ববি হাজ্জাজ বলেন, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের যন্ত্রপাতি নিয়ে অতীতে যেভাবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে লুটপাট হয়েছে, আগামীতে তা আর হবে না।
মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) আবুল আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (বাজেট ও অডিট) মিজ ইসরাত জাহান, দিনাজপুরের পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, কর্মসূচির মূল বৈশিষ্ট্য হলো শুকনো খাবারের পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের জন্য পুষ্টিকর রান্না করা দুপুরের খাবার বা মিড-ডে মিল সরবরাহ করা।
দিনাজপুর জেলার পাঁচটি উপজেলার ৩৬৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। উপজেলাগুলো হলো-কাহারোল, ঘোড়াঘাট, বিরল, বিরামপুর ও বোচাগঞ্জ। কর্মসূচির মাধ্যমে এসব উপজেলার ৬৮ হাজার ৭৬১ জন শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিংয়ের আওতায় আসবে।
ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় জেলার পাঁচটি উপজেলার ৩৬৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অংশ নেন।