• সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মালয়েশিয়া পাচারের প্রস্তুতিকালে টেকনাফে ৫ ভুক্তভোগী উদ্ধার বিএমজেপি’র ১৯ সদস্য বিশিষ্ট মিডিয়া সেল গঠন জাবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ব্যানার, পুড়িয়ে দিল ছাত্রদল ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল চলতি সপ্তাহে : ইসি সচিব নড়াইলে মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারে শিক্ষকের যাবজ্জীবন নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের জন্য অনলাইনে কার্ড দেবে ইসি পিরোজপুরে গ্রাহকের ৩০ কোটি টাকা নিয়ে আত্মগোপনে থাকা ‘আস্থা’ সমিতির মালিক গ্রেপ্তার বরিশালে নেশার টাকা না পেয়ে বাবা-মাকে মারধরের অভিযোগ, বাবার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার হুমকি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত অতিরিক্ত বিদ্যুত বিল আসা নিয়ে সরকারকে গালিগালাজ করা সিফাতের জামিন নামঞ্জুর

মিটার নেই, সংযোগও নেই তবু বিদ্যুৎ বিল

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

মিটার নেই, বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হয়নি। অথচ গ্রাহকের নামে এসেছে ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল। নতুন মিটারের জন্য আবেদন করার পর সংযোগ দেওয়ার আগেই এমন বিল পাওয়ার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার। মিটার স্থাপন ও বিদ্যুৎ ব্যবহার শুরুর আগেই বিল তৈরির ঘটনায় বিদ্যুৎ বিভাগের বিলিং ব্যবস্থাপনা ও তদারকি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকায়।

ভুক্তভোগী শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাসায় দুটি আবাসিক ও দুটি বাণিজ্যিক মিটার রয়েছে। এর বাইরে আরও একটি মিটার সংযোগের জন্য তিনি আবেদন করেন। কিন্তু নতুন মিটার স্থাপন কিংবা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই তার নামে ৬৯২ টাকা পরিশোধের জন্য একটি বিল এসেছে। বিদ্যুৎ ব্যবহার না করেই কিভাবে বিল তৈরি হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, নিমাই চন্দ্র সরকারের বাসায় চারটি মিটার রয়েছে। নতুন মিটার স্থাপনের জন্য একটি ওয়্যারিং বোর্ডও তৈরি করা হয়েছে। তবে তার নামে মোট পাঁচটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এসেছে। এর মধ্যে নতুন মিটারের নামে আগস্ট মাসের বিল ৬৯২ টাকা।

মিটার স্থাপন ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই বিল আসার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও বিস্ময় দেখা দিয়েছে। তাদের প্রশ্ন, সংযোগই যেখানে দেওয়া হয়নি, সেখানে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিল কীভাবে তৈরি হলো? বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

মিটার ও সংযোগ ছাড়াই কীভাবে বিল তৈরি হলো এমন প্রশ্নের জবাবে তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান বলেন, নিমাই সরকারের সঙ্গে কথা বলেই বিল করা হয়েছে। তবে মিটার বা সংযোগ না থাকলেও বিল করা যায় কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা ভুল হয়ে গেছে।

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওএন্ডএম) আবু সালেহ মো. নাঈম বলেন, সফটওয়্যার পরিবর্তনের কারণে এমন সমস্যা হয়েছে। তবে মিটার ও সংযোগ না থাকা অবস্থায় কীভাবে গ্রাহকের নামে বিল তৈরি হলো, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিনও বিষয়টির স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তিনি বলেন, মিটার বা সংযোগ ছাড়া কীভাবে বিল আসে, তা আমার জানা নেই। উনাদের যারা নিয়ন্ত্রণ করেন, তাদের সঙ্গে কথা বলুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...