• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চোর সন্দেহে গ্রামবাসীর ধাওয়া, মালামাল ফেলে পালালেন তারা ইউপি নির্বাচন আগামী বছরের ৬ জুনের আগে শেষ করতে হবে: ইসি সানাউল্লাহ ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নজরদারিতে অ্যাপ চালু করল সরকার সাতক্ষীরায় পাঁচটি ৫০০ টাকার জাল নোটসহ কিশোর আটক পুত্রবধূকে ধর্ষণের দায়ে শ্বশুরের যাবজ্জীবন নির্বাচনী এজেন্টের ব্যাংক হিসাব দাখিল বাধ্যতামূলক করল ইসি ভারতে যাওয়ার সময় সীমান্তে আ.লীগ নেতা ধরা পুলিশকে তাদের মানসম্মান-ইজ্জত আবার ফিরিয়ে দিতে চাই: জহির উদ্দিন মাদক সেবনকালে ধরা, দুই যুবককে দিয়ে পুকুর পরিষ্কার করালেন স্থানীয়রা বরিশাল রূপাতলী বাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি কাওসার হোসেন শিপন গ্রেপ্তার

বিদ্যুৎ বিল বেশি আসায় মিটার রিডারকে ৫ ঘণ্টা আটকে রাখলেন গ্রাহকেরা

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে এক মাসের ব্যবধানে বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ার অভিযোগে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এক মিটার রিডারকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের কালিতলা মধুপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গ্রাহকদের অভিযোগ, জুলাই মাসে যে মিটারে বিল এসেছিল ২০০ টাকা, আগস্টে একই মিটারে বিল এসেছে তিন হাজার টাকার বেশি। এমন অস্বাভাবিক বিলের অভিযোগ ওই গ্রামের আরও শতাধিক গ্রাহকের। বিল সংশোধনের জন্য বারবার অফিসে গিয়েও সমাধান না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তাঁরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বিলের তথ্য সংগ্রহ করতে গ্রামে যান ঠাকুরগাঁও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বালিয়াডাঙ্গী জোনাল অফিসের মিটার রিডার সবুজ। এ সময় আকবর আলী নামের এক গ্রাহক তাকে আটকে রাখেন। পরে তার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে আরও গ্রামবাসী জড়ো হন।

খবর পেয়ে পুলিশ ও পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গেলেও প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে দফায় দফায় বাগ্‌বিতণ্ডা চলে। পরে অতিরিক্ত বিল সংশোধন ও ত্রুটিপূর্ণ মিটার বদলে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে রাতে মিটার রিডারকে ছেড়ে দেন বিক্ষুব্ধ গ্রাহকেরা। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

আকবর আলী বলেন, ‘আমার জবাব লাগবে। গত মাসে ৮০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে, এ মাসে কীভাবে ৩৭০ ইউনিট হলো? কোনো লাইট বাড়াইনি, ফ্যানও বাড়াইনি। বিল পরিশোধ করব না। পল্লী বিদ্যুতের লোকজনকে এর জবাব দিতে হবে।’

গ্রামের আরেক বাসিন্দা মাহফুজ আলম বলেন, ‘গত মাসে বিল ছিল ২০০ টাকা, এ মাসে ১ হাজার ৯০০ টাকা। এত গড়মিল কীভাবে হয়? আমরা অশিক্ষিত মানুষ, আমাদের ভুল হতে পারে। পল্লী বিদ্যুতের লোকজন শিক্ষিত, তারা কেন ভুল করবেন?’

ঘটনাস্থলে থাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বালিয়াডাঙ্গী জোনাল অফিসের এনফোর্সমেন্ট কো-অর্ডিনেটর নির্মল রায় বলেন, পুলিশের সহযোগিতায় গ্রাহকদের অতিরিক্ত বিল সংশোধন এবং ত্রুটিপূর্ণ মিটার বদলে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে তারা মিটার রিডারকে ছেড়ে দেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আগে দায়িত্বে থাকা মিটার রিডার মাঠে না এসে ঘরে বসে মিটার রিডিং দিয়েছিলেন। তাকে বহিষ্কার করে নতুন একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনিই গ্রামে বিলের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন। আমরা বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত। কয়েক মাসের মধ্যে মিটার রিডিং এবং অফিসে জমা থাকা রিডিং যাচাই করে অতিরিক্ত বিলগুলো সমন্বয় করা হবে।’

বালিয়াডাঙ্গী জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. হামিদুল হক বলেন, ‘ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। গ্রাহকদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং বিল-সংক্রান্ত বিষয়গুলো সমাধানের চেষ্টা আমরা চালিয়ে যাচ্ছি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...