• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি কবে থেকে, কত দিন ঢাবিতে ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মডেল মসজিদের ছাদ থেকে নিচে পড়ে মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ শ্রীনগরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ১০ নেতাকর্মী গ্রেফতার বাঁধনের খোঁজ-খবর নিতে তার বাসায় যান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সেলুনে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি, পরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে লোডশেডিং, জিএমকে স্ট্যান্ড রিলিজ আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা, এমপি বললেন ‘সবাইকে নিয়ে চলতে হবে’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন বিএম কলেজের দুই শিক্ষার্থী

দেশটা ঘরের মতো, বাইরের কেউ এসে পরিষ্কার করে দিয়ে যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘এই দেশের মালিক দেশের জনগণ। আপনি যেই ঘরের মালিক, যে ঘরে আপনি থাকেন- তার খুঁটি দুর্বল হলে বা ময়লা হলে যত্ন কে করে? ঘরের মালিকই করে। দেশটা যেহেতু আমাদের সকলের, তাই এই দেশটার যত্নও আমাদেরকেই করতে হবে। বাইরের দেশ থেকে কেউ এসে আমাদের দেশ পরিষ্কার করে দিয়ে যাবে না।’

সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় বরিশালে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বরিশালে এটিই তাঁর প্রথম সফর। পরে সকাল সাড়ে ১০টায় গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নে নতুন খনন করা সরিকল খালের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতেই রোপণ করা গাছের চারাগুলোর যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই গাছের যত্ন নিলে গাছটি যখন বড় হবে, তখন তা অন্য দেশের মানুষকে বাতাস দেবে না। এর সুফল এই এলাকার মানুষই ভোগ করবে।’

পরিবেশের বর্তমান চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘রাস্তা দিয়ে আসার সময় দেখলাম যেখানে সেখানে বাজার আছে, সেখানে বিভিন্ন কাগজপত্র, পলিথিন, প্লাস্টিকের ব্যাগ ও বোতল পড়ে পরিবেশটা একদম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এই যে আমার সামনে ঐখানে একটা প্লাস্টিকের বোতল পড়ে আছে, ঐখানে খুব সম্ভবত একটা সিগারেটের প্যাকেট পড়ে আছে। আমরা যখন ছবিতে বা টেলিভিশনে অন্য দেশের রাস্তাঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন দেখি, তখন আমাদের মনে হয় ‘আহা ওদের রাস্তাঘাট কী সুন্দর!’ কিন্তু ভাই, ওদের দেশের রাস্তাঘাট তো ওরাই পরিষ্কার করে রাখে।’

বর্ষায় জলাবদ্ধতা ও খালের পানি দূষণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সব জায়গায় যদি আমরা ময়লা-আবর্জনা ফেলি, তাহলে খাল-বিল বন্ধ হয়ে যাবে। সারা দেশের খাল-বিল যদি ঠিকঠাক থাকে, তবে বন্যার সময় ক্ষতি কম হবে, পানি ঘরে-বাড়িতে কম ঢুকবে। এই গ্রামে আসলে তাও কিছুটা বুক ভরে শ্বাস নেওয়া যায়, কিন্তু আবর্জনা দিয়ে সব জায়গা ভরে গেলে পুরো দেশের পরিবেশ নষ্ট হবে। তখন ছোট-বড় সবার শ্বাসজনিত অসুখ-বিসুখ হবে।’

জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজের পকেট থেকে টিস্যু বের করে একটি ব্যক্তিগত উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, ‘আমার পকেটে হাত দিলে এই দেখেন টিস্যু বের হবে। একটু আগে আমি মাটি নাড়াচাড়া করে হাত ধুয়ে এই টিস্যু ব্যবহার করেছি। এখানে ফেললে আমি যা বলছি, তা নিজেই মানলাম না। তাই ছোটবেলা থেকে আমি অভ্যাস করেছি, যখনই টিস্যু ব্যবহার করি, তা পকেটের মধ্যে রেখে দেই। সারাদিনের সব টিস্যু এক পকেটে জমা হয়। রাতে বাসায় গিয়ে তা ডাস্টবিনে ফেলি। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে এই অভ্যাসটি তৈরি করতে পারব। দেশের প্রতিটি মানুষ এই অভ্যাস গড়ে তুললে বিদেশ থেকে যারা আসবে তারাও বলবে বাংলাদেশ একটি পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর দেশ।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...