• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কুয়াকাটাসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ‘সার্জেন্ট মেজর ফিশ’ জমি লিখে না দেওয়ায় ছেলেদের বিরুদ্ধে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বাবা-মায়ের সংবাদ সম্মেলন ‘বাংলাদেশ জনরাষ্ট্র আন্দোলন’ নামে একটি নতুন দলের আত্মপ্রকাশ হোটেলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার মামলার ববি’র অভিযুক্ত শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত স্ত্রীর আত্মহত্যা মামলায় জাহের আলভীর জামিন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত, দুইজন গ্রেপ্তার বাকেরগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে গুরুতর আহত তিনজন অসুস্থ স্বামীকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী ও সন্তানেরা ইসলামী আন্দোলনের দেশব্যাপী নতুন কর্মসূচি ঘোষণা স্ত্রীর দেওয়া কিডনিতে জীবন পাওয়া সেই স্বামী নাদিম মন্ডল আর নেই

হোটেলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার মামলার ববি’র অভিযুক্ত শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

হোটেলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার মামলার আসামি হিসেবে কারাভোগের ঘটনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে তিনি শিক্ষা ছুটিতে আছেন।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বাছির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের হওয়া একটি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিনি জেলহাজতে ছিলেন।

এই প্রেক্ষাপটে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৯(২) এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা ৪৪(৬) অনুযায়ী তাকে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ঢাকায় এক নারীর সঙ্গে শফিকুল ইসলামের সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথাও ঠিক হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি ওই নারীকে মোহাম্মদপুরে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে মারধর করেন এবং পরে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পুলিশের দাখিল করা এজাহারে মামলার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ রয়েছে।

ড. আব্দুল আলিম বাছির বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি বিধান অনুযায়ী যা হবার তাই হবে। এটা ফৌজদারি মামলা, পুলিশ দেখবে। এটা বিশ্ববিদ্যালয় দেখবে না। বিশ্ববিদ্যালয় যেটা দেখতে পারে সেটা হলো, চাকরির শৃঙ্খলার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ কিনা। সেজন্য তাকে আইন অনুযায়ী আদেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে অভিযোগকারী নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মামলা চলমান বিধায় এ বিষয়ে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...