• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি কবে থেকে, কত দিন ঢাবিতে ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মডেল মসজিদের ছাদ থেকে নিচে পড়ে মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ শ্রীনগরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ১০ নেতাকর্মী গ্রেফতার বাঁধনের খোঁজ-খবর নিতে তার বাসায় যান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সেলুনে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি, পরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে লোডশেডিং, জিএমকে স্ট্যান্ড রিলিজ আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা, এমপি বললেন ‘সবাইকে নিয়ে চলতে হবে’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন বিএম কলেজের দুই শিক্ষার্থী

স্ত্রী হত্যা মামলায় সাবেক এলজিইডি প্রকৌশলীর যাবজ্জীবন

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

বরিশালের একটি আবাসিক হোটেলে স্ত্রীকে হত্যার মামলায় এলজিইডির সাবেক প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় হোটেলটির ম্যানেজার আবদুল মালেককে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোসতাক আহমেদ এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁদের বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মহাসিন মন্টু রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বরিশাল নগরের সদর রোডের হোটেল আলী ইন্টারন্যাশনালের পঞ্চম তলার একটি কক্ষ থেকে নাজমা জহির শোভার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই সময় জহিরুল ইসলাম বরিশাল এলজিইডিতে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ঘটনার দিন নিহত শোভার বোন নিলুফা আইরিন কোতয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় জহিরুল ইসলাম ও হোটেল ম্যানেজার আবদুল মালেককে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আনোয়ার হোসেন মিজান বলেন, শোভার ছোট বোন রুমা আক্তারের সঙ্গে জহিরুল ইসলামের সম্পর্ক ছিল বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। বিষয়টি শোভা জেনে যাওয়ার পর তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হোটেলে নিয়ে হত্যা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারের পর জহিরুল ইসলাম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাক্ষ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত দুই আসামিকে সাজা দেন।

হোটেল পরিচালনায় অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় ম্যানেজার আবদুল মালেককে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানান আইনজীবী আনোয়ার হোসেন মিজান।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১৬ বছর পর এ রায় হলো। বাদীপক্ষ এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...