• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বিএনপির সংসদীয় দলের সভা, বিদায়ী মুহূর্তে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল ফ্লাইওভারে উঠাতে ব্যর্থ পিংক বাসচালক, সহায়তায় পুরুষ ড্রাইভার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ : ডপলার রিসার্চের জরিপ বরিশালে ইয়াবা ক্রয় করতে এসে জনতার হাতে ধরা এক কলেজ কর্মচারী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে বিএনপির সরকারদলীয় সভা বরিশালে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার ২০২৮ সালের মধ্যে সব নিবন্ধনহীন কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হবে: প্রতিমন্ত্রী কলকাতায় স্ত্রী-সন্তান, শ্বশুরসহ সাংবাদিক দেবাশীষের মৃত্যু মোবাইলে ভয়েস কলের খরচ কমতে পারে, গণশুনানিতে বিটিআরসি গান বাজানো নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০

বরিশালে ঠিকাদারি কাজ নিয়ে বিরোধে গণপূর্ত নির্বাহী প্রকৌশলীকে লাঞ্ছিত

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

বরিশাল গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফয়সাল আলমকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে।

ঠিকাদারি কাজ নিয়ে বিরোধের জেরে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নির্বাহী প্রকৌশলী ও ঠিকাদার আশরাফুল ইসলাম মাহফুজ পরস্পরকে দায়ী করে বক্তব্য দিয়েছেন।

এ ঘটনার প্রায় ছয় মিনিটের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ঠিকাদার মাহফুজ নির্বাহী প্রকৌশলীকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন। একাধিকবার তাঁর দিকে তেড়ে যাওয়ারও চেষ্টা করেন তিনি।

এ সময় কক্ষে থাকা অন্যরা মাহফুজকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন।

ঘটনার বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফয়সাল আলম বলেন, বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের ১৫ লাখ টাকার একটি সংস্কারকাজ দরপত্রের মাধ্যমে মোস্তাকিন বিল্ডার্স নামের প্রতিষ্ঠান পায়। তবে পরবর্তীতে অর্থ অনুমোদন না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়নি। নতুন অর্থবছরে অর্থ বরাদ্দ পেলে কার্যাদেশ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

তিনি অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার দুপুরে ঠিকাদার মাহফুজ কয়েকজন সহযোগীসহ তাঁর কার্যালয়ে এসে ক্ষমতার দম্ভ দেখিয়ে দুর্ব্যবহার করেন এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার জন্য একাধিকবার তাঁর দিকে তেড়ে যান।

তবে নির্বাহী প্রকৌশলীর অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদার আশরাফুল ইসলাম মাহফুজ বলেন, গত ২৯ এপ্রিল দরপত্র প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তিনি শেবাচিম হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ১৫ লাখ টাকার সংস্কারকাজ পান। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাঁকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়নি। এ বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে তাঁর শুধু তর্কাতর্কি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...