
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় অর্থের বিনিময়ে সরকারি জমি ব্যক্তি নামে নামজারি ও রেকর্ড দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভূমি অফিসের দুই কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগদা খাজুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা ভুক্তভোগী মো. ছত্তার মিয়া। তার দাবি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার যোগসাজসে এ দুর্নীতি করেছে ভুমি অফিসের কর্মচারীরা।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এমন অনিয়ম এবং দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্তসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রী এবং দুর্নীতি দমন কমিশন চেয়ারম্যানের কাছে দাবি জানিয়েছেন।
লিখিত বক্তব্যে ছত্তার মিয়া বলেন, বরিশাল জেলা প্রশাসকের ১/১ নং খতিয়ানে আগৈলঝাড়া উপজেলাধীন বাগদা মৌজায় বাগদা হাট-বাজারের ২০০৪ সালের ৯ জানুয়ারির তালিকায় আমার দোকানটি ৪৩ নম্বর ভিডিতে তালিকাভুক্ত করা হয়।
কিন্তু পরবর্তীতে বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের এ.এস ও রফিকুল ইসলাম এবং তার অফিস সহকারী ইব্রাহিম সিকদার অবৈধ সুবিধা নিয়ে জেলা প্রশাসনের ওই জমি বিগত সরকারের দোসরদের নামে বিএস খতিয়ান খুলে দিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, এর মধ্যে ৬৮৪ নম্বর বিএস খতিয়ানে আব্দুর রহিম মিয়া, ৫৭৫৮ নম্বর বিএস খতিয়ানে আব্দুল হালিম মিয়া এবং স্থানীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা বজলুল হক মিয়াসহ বিভিন্ন নামে খতিয়ান খুলে দিয়েছেন ভূমি অফিসের অসাধু কর্মচারীরা।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্তসহ দোষিদের বিচার দাবি করেন ভুক্তভোগী বৃদ্ধ আব্দুস ছত্তার মিয়া। একই সঙ্গে তিনি ওই জমি সরকারের নামে ১/১ নম্বর খতিয়ানে ফেরত আনার দাবিও জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বৃদ্ধ আব্দুস সত্তার মিয়ার করা অভিযোগ প্রসঙ্গে বক্তব্য জানা যায়নি অভিযুক্তদের।