• সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মালয়েশিয়া পাচারের প্রস্তুতিকালে টেকনাফে ৫ ভুক্তভোগী উদ্ধার বিএমজেপি’র ১৯ সদস্য বিশিষ্ট মিডিয়া সেল গঠন জাবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ব্যানার, পুড়িয়ে দিল ছাত্রদল ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল চলতি সপ্তাহে : ইসি সচিব নড়াইলে মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারে শিক্ষকের যাবজ্জীবন নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের জন্য অনলাইনে কার্ড দেবে ইসি পিরোজপুরে গ্রাহকের ৩০ কোটি টাকা নিয়ে আত্মগোপনে থাকা ‘আস্থা’ সমিতির মালিক গ্রেপ্তার বরিশালে নেশার টাকা না পেয়ে বাবা-মাকে মারধরের অভিযোগ, বাবার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার হুমকি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত অতিরিক্ত বিদ্যুত বিল আসা নিয়ে সরকারকে গালিগালাজ করা সিফাতের জামিন নামঞ্জুর

ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে একদিন পর মায়ের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

পটুয়াখালীতে ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে এক দিন পর মা-ও মারা গেছেন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) মারা যান তার ছেলে মুশফিকুর রহমান খান মামুন।

আলম আরা খান পটুয়াখালী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গার্লস স্কুল রোড এলাকার প্রয়াত অ্যাডভোকেট আশরাফ আলী খানের স্ত্রী এবং প্রয়াত মুশফিকুর রহমান খান মামুনের মা। আলম আরা খান গার্লস স্কুল রোড এলাকার বাসিন্দা চিকিৎসক মরহুম মোয়াজ্জেম হোসেন খানের চতুর্থ মেয়ে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান মুশফিকুর রহমান খান মামুন। ছেলের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই শনিবার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তার মা আলম আরা খান। পরে তাকে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মুশফিকুর রহমান মামুন খানের একমাত্র পুত্র মুছাব্বির আলী খান বলেন, আমার দাদি গত এক সপ্তাহ ধরে বার্ধক্যজনিত সমস্যা নিয়ে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে হাসপাতাল থেকে দাদির সংকটাপন্ন অবস্থার খবর আসে। তখন মা ও আমাকে নিয়ে বাসা থেকে বের হন বাবা। কোনো বাহন না পেয়ে হেঁটে হাসপাতালের দিকে রওনা হই আমরা। পথে সোনালী ব্যাংক মোড় এলাকায় বাবা হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরে তাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে বাবাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মুশফিকুর রহমান।

একদিনের ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। তাদের মৃত্যুতে গার্লস স্কুল রোড এলাকাতেও শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...