• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পিরোজপুরে জেলায় দীর্ঘ ৩৫ বছর পর নতুন জামায়াতে আমির মাওলানা আব্দুর রব সেন্টমার্টিনে পৌঁছাল মৌসুমের প্রথম জাহাজ, গেলেন ৮৩৬ পর্যটক এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় নেত্রী সামান্তা শারমিন টেন্ডার না পেয়ে যুবদল নেতার হুমকি, ভয়ে কর্মস্থলে যাচ্ছেন না স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ‘কত বড় সাহস, গায়ে হাত দেয়’ জামিনের প্রশ্ন শুনে সাংবাদিককে গালাগাল পরীমনির সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে ককটেল নিক্ষেপ, আহত কনস্টেবল অসহায় মায়ের কান্নায় ছুটে এলেন ইউএনও, নিরাপদে জন্ম নিল নবজাতক মাকে হাসপাতালে নেয়ার পথে ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু

‘সব সচিব সময়মতো অফিসে এলে আমিও আসব’

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

অন্যরা দেরিতে এলে দোষ নেই, কিন্তু আমার বেলায় যত আপত্তি। দেশের সব সচিব যদি ঠিক সময়ে অফিসে আসেন, তবেই আমি নিয়ম মেনে সময়মতো অফিসে আসব এমন মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) লিপী ঘরামী।

অফিসে অনিয়মিত উপস্থিতি, দেরিতে আসা এবং সেবাপ্রত্যাশীদের হয়রানিসহ নানা অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। তার এমন মন্তব্য ও দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ৯ জন ইউপি সদস্যের স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, লিপী ঘরামী নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকেন না। অফিসে এলেও নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে আসেন এবং কর্মঘণ্টা শেষ হওয়ার আগেই চলে যান। এ ছাড়া অফিসের গোপনীয় তথ্য বাইরে প্রকাশ, চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয়হীনতা এবং ট্রেড লাইসেন্স ও ওয়ারিশ সনদের ফি বাবদ আদায় করা অর্থের সঠিক হিসাব না দেয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা নিয়মিত সরকারি সেবা পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সেবা নিতে এসে অপেক্ষায় থাকা কয়েকজন জানান, তারা সকাল ৯টায় ইউনিয়ন পরিষদে এলেও সচিবের দেখা মেলে সকাল ১০টা, কখনো ১১টায়। কোনো কোনো দিন দুপুর গড়িয়ে গেলেও তিনি অফিসে আসেন না। কখন অফিসে আসবেন, তা জানতে ফোন করলে উল্টো খারাপ ব্যবহার করেন। এতে প্রয়োজনীয় সেবা পেতে তাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেয়ার দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তার এমন আচরণ এবং একের পর এক বিতর্কিত বক্তব্যে এলাকায় অসন্তোষ বাড়ছে। এ ছাড়া দাপ্তরিক কাজের কথা বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়াই নিজের ইচ্ছেমতো অফিসে আসা-যাওয়া করেন তিনি।

এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী অবিলম্বে ওই সচিবকে অপসারণ এবং তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...