• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পকেট গেট এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ‘ডিসেম্বরে আপার ফেরার কোনো সুযোগ নেই, এলে ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত’: নাহিদ ইসলাম বাড়ির চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধ, প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধ নিহত কুয়াকাটায় পর্যটকবাহী ভ্যান উল্টে প্রাণ গেল নারী চিকিৎসকের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বড় ভাইয়ের দায়ের কোপে ছোট ভাই নিহত এইচএসসির ফল পুনর্মূল্যায়ন আবেদনের সময় বাড়ল প্রধানমন্ত্রীর মহাসমাবেশে যোগ দিতে এসে প্রাণ গেল গ্রাম পুলিশ জামশেদের বরিশালে নারীদের গোপন ভিডিও ধারণের অভিযোগে যুবক আটক মধ্যরাতে মহাখালী বাস টার্মিনালে পার্কিং করা বাসে আগুন রেডি হও জামায়াত, তোমাদের পাকিস্তানে পাঠানো হবে: পাপিয়া

পলাতক অবস্থায় সাঈদীর মামলার বাদীর মৃত্যু, দাফন নিয়ে যা জানা গেল

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম প্রধান সাক্ষী মানিক পশারীর লাশ তোপের মুখে ১৭ ঘণ্টা পর গভীর রাতে পরিবারের সদস্যদের খোড়া কবরে দাফন করা হয়েছে।

রোববার  (২৫ অক্টোবর) দিনগত রাত ২টার দিকে সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে মানিক পশারীর বাড়িতে লাশ দাফন সম্পন্ন করে পুলিশ।

এর আগে শনিবার সকাল ১০টার দিকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পলাতক থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে একইদিন দুপুর ১২টায় সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানিক পশারীর লাশ আসলে জেলা জামায়াতের নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়ে মানিকের লাশসহ স্বজনরা। পরে পুলিশের সহায়তায় লাশ সরিয়ে নেওয়া হয় পুলিশ লাইনসে। সেখানে বিকাল ৫টার দিকে গার্ড অব অনার শেষে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তায় লাশ ঘিরে রাখে পুলিশ।

পরে রাত ১টার দিকে পুলিশ জেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সহায়তায় লাশ বাড়িতে পৌঁছে। রাতে মানিক পশারীর স্ত্রী, মেয়ে ও বোনসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা মিলে কবর খুঁড়ে রাত ২টার দিকে দাফন কাজ শেষ করেন। এ সময় কিছু এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

মানিকের বোন বলেন, ‘আমার ভাইরে টুঙ্গিপাড়া দিয়া পিরোজপুর আনার পর ওখানে ধস্তাধস্তি হইছে। একবার মোরা কবর খুঁড়ছি সেই কবর লোকজনে আবার ভরাট করে ফেলছে। আবার মোরা কবর খুঁড়ছি এবং পুলিশ লাশ আনার পর মোরাই মাডি দিছি। কোনো পুরুষ মানুষ আয় নাই’।

জেলা জামাতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মানিক পশারীর লাশ দাফনে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের নেতারা এবং অঙ্গ সংগঠনের কোনো নেতারা কোনো প্রকার বাধা সৃষ্টি করেনি। জামায়াতে ইসলামীর নেতারা লাশের রাজনীতি করে না। তাই পিরোজপুর সদর থানা পুলিশকে পুরোপুরি সহায়তা করে লাশ দাফন করা হয়েছে।

সদর থানার ওসি মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, পুলিশের নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মানিক পশারীর লাশ দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। কবরের পাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মানিক পশারী (৮৭) পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি জামায়াত নেতা মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম প্রধান সাক্ষী ছিলেন। ২০২৪ সালে আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পরে তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তার মেয়ের জামাইয়ের কাছে আশ্রয় নেন। মানিক গত দুই মাস অসুস্থ থেকে মৃত্যুবরণ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...