• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষক আটক ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী সেলিম উদ্দিন ও সাদিক কায়েম সাতক্ষীরায় পুকুরে ডুবে দুই স্কুল শিক্ষার্থীদের মৃত্যু স্ত্রী হত্যা মামলায় সাবেক এলজিইডি প্রকৌশলীর যাবজ্জীবন চাঁদাবাজি মামলায় পাথরঘাটা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব গ্রেফতার হাটহাজারীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, আড়াই কোটি টাকার সরকারি জমি উদ্ধার পিরোজপুরে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা আটক গোপন ছবি-ভিডিও ভাইরালের হুমকি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, দল থেকে অব্যাহতি ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড, পদদলিত হয়ে নিহত ৬ উজিরপুর হাসপাতালে চিকিৎসক-নার্সের অবহেলায় ৭ মাসের শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

উজিরপুর হাসপাতালে চিকিৎসক-নার্সের অবহেলায় ৭ মাসের শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমেনা নামে সাত মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকদের অবহেলা, খামখেয়ালিপনা ও নার্সদের দায়িত্বে গাফিলতির কারণেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বর্তা গ্রামের মহিন্দ্রাচালক মিলন তালুকদারের শিশুকন্যা আমেনাকে ফুড পয়জনজনিত সমস্যা নিয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পরও শিশুটির শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশালে নেওয়ার উদ্যোগ নেন।

স্বজনদের দাবি, শিশুটিকে বরিশালে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করাতে চাইলেও হাসপাতাল থেকে তাকে রিলিজ দেওয়া হয়নি। ফলে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই চিকিৎসাধীন রাখা হয় আমেনাকে।

পরিবারের অভিযোগ, ১৩ সেপ্টেম্বর রোববার রাতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটে। বিষয়টি কর্মরত নার্সদের জানানো হলেও তারা যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেননি। একপর্যায়ে গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় মারা যায় সাত মাসের শিশু আমেনা।

শিশুটির বাবা মিলন তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি করার পর তার মেয়েকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। নার্সদের কাছ থেকেও যথাযথ সেবা পাওয়া যায়নি। উল্টো রোগীর সঙ্গে থাকা স্বজনদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। চিকিৎসকদের অবহেলা ও খামখেয়ালিপনার কারণেই তার মেয়ের অকাল মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও নার্সদের দায়িত্ব পালন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্বজনরা। তাদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হামিদা আক্তার বলেন, “জন্ম-মৃত্যু আমাদের হাতে নেই।” ডাক্তার ও নার্সদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সকালে সংশ্লিষ্টদের ডেকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

তবে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি ছিল কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...