• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বরিশালে ৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপির সমাবেশ ও র‍্যালি বরগুনায় নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার বিএনপির কর্মসূচিতে ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা তুমি বাংলাদেশের নেতা’ গান, ভিডিও ভাইরাল পটুয়াখালীর দশমিনায় পুকুর সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে যুবকের মৃত্যু ভোলার মনপুরায় স্ত্রীকে দিয়ে যৌন ব্যবসার অভিযোগ, ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক আজ ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শিক্ষাসফরের একটি বাস পুকুরে, প্রাণ গেল ২ শিক্ষকের সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত বরিশালে আওয়ামী লীগের সাত নেতাকর্মী গ্রেপ্তার বরিশালে জমি নিয়ে বিরোধে একজনকে কুপিয়ে হত্যা

রংপুরে ৪ হত্যা, মুচলেকা নিয়ে সিদ্ধার্থের বাবা-ভাইকে ছাড়ল ডিবি

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও বড় ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

শনিবার বিকালে সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নগরীর সেন্ট্রাল রোডের ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। প্রায় ছয় ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে তারা কার্যালয় থেকে বেরিয়ে আসেন।

রংপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ‘বিকালে সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল। যেহেতু পুলিশ তাদের এনেছিল, তাই তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

গত ২২ আগস্ট রাতে মাছুয়াপাড়ার ওই বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬০), তার স্ত্রী প্রীতিলতা (৫০), স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী (২৫) এবং পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

চারজনকে হত্যার ঘটনায় পরদিন নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

মামলা হওয়ার দিন ভোরে একই এলাকা থেকে মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯) নামে দুই তরুণকে গ্রেফতার করা হয়। ওই রাতেই তারা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে পুলিশ জানায়।

পরে মঙ্গলবার মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের বন্ধু সীমান্ত আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। পুলিশ দাবি করেছে, ঘটনার রাতে ওই তিনজন একসঙ্গে মাদক সেবন করেছিলেন।

এর মধ্যে বুধবার রাতে সিদ্ধার্থ দাসের বড় ভাই পার্থ দাস অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডের পর গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা হয়েছে। তার অভিযোগ, এর ফলে হত্যাকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ আলামত নষ্ট হয়ে থাকতে পারে।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আলামত নষ্ট করার উদ্দেশ্যে ছাদ ধোয়া হয়নি। ভুল করে পানির মোটরের সুইচ চালু হয়ে যাওয়ায় ট্যাংক থেকে পানি উপচে ছাদ ভিজে যায়।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার দুই তরুণের জবানবন্দি, সাক্ষীর বক্তব্য এবং অন্যান্য আলামত যাচাই করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...