• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
এবার খুলনায় রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি লেপন সরকার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে কাজ করার সুযোগ দিচ্ছে, অভিযোগ নাহিদের পুলিশের ওপর হামলা করে আসামি ছিনতাই, ৪ নারী আটক রাজধানীর নতুন বাজারে যাত্রীবাহী বাসে আগুন পাখি শিকারে বাধা দেওয়ায় এয়ারগান দিয়ে যুবককে গুলি নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু, শ্বশুর-শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ বরিশালে মাটিকাটা কাটি নিয়ে বাকবিতন্ডা, বড় ছেলের হামলার শিকার মা-বাবা ও ছোট দুই ভাই বরিশালসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস শরীয়তপুরে কলেজের কনসার্টে ‘নৌকা’ ও ‘জয় বাংলা’ স্লোগান চুরির অভিযোগ তুলে মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের অভিযোগ

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দেন বাবা

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

জেলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত এক শিক্ষক, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনার মূল অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন তার বাবা। রোববার (২৩ আগস্ট) ভোরে অভিযুক্ত ছেলেকে নিজ উদ্যোগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন বাবা বিনয় দাস। এ ঘটনায় জড়িত দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস (২৩) এবং বিনয়চন্দ্র দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাস (১৯)। সম্পর্কে তারা মামাতো ভাই। মুগ্ধ সিটি বাজারের একজন মাছ বিক্রেতা এবং সিদ্ধার্থ স্বর্ণের দোকানের কারিগর। সিদ্ধার্থ নিহত শিক্ষক পরিবারের পাশের বাড়িতেই বসবাস করতেন।

নিহতরা হলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়ম (১২)।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় পরিবার নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। সিদ্ধার্থ গণপতিকে ‘স্যার’ এবং তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তীকে ‘কাকি’ বলে ডাকতেন। শনিবার রাতে ওই ঘর থেকে গণপতি, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এদিন বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, নিহতদের বাড়ির সামনে উৎসুক মানুষের উপচে পড়া ভিড়।

বাড়ির ভেতরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস বলেন, ‘পুলিশ এসে সিদ্ধার্থের খোঁজ করলে আমিই তাকে চাচার বাড়ি থেকে ডেকে এনে পুলিশের হাতে তুলে দিই। আমার এক ছেলে ও প্রতিবেশীদের হারালাম। সঠিক তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। সিদ্ধার্থের মা পাপড়ী দাস বলেন, ‘আমার ছেলে খুব ভালো। মাদক সেবন করতে কখনও দেখিনি।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, গত বৃহস্পতিবার শেষ রাতের দিকে গণপতি চক্রবর্তীর বাসার ছাদে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ ইয়াবা সেবন করছিলেন। তখন শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী বিষয়টি দেখে ফেলেন এবং প্রতিবাদ জানান। ঘটনা জানাজানি হওয়ার ভয়ে তারা দুজন মিলে গণপতি চক্রবর্তীসহ তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নৃশংসভাবে হত্যা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...