• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পকেট গেট এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ‘ডিসেম্বরে আপার ফেরার কোনো সুযোগ নেই, এলে ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত’: নাহিদ ইসলাম বাড়ির চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধ, প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধ নিহত কুয়াকাটায় পর্যটকবাহী ভ্যান উল্টে প্রাণ গেল নারী চিকিৎসকের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বড় ভাইয়ের দায়ের কোপে ছোট ভাই নিহত এইচএসসির ফল পুনর্মূল্যায়ন আবেদনের সময় বাড়ল প্রধানমন্ত্রীর মহাসমাবেশে যোগ দিতে এসে প্রাণ গেল গ্রাম পুলিশ জামশেদের বরিশালে নারীদের গোপন ভিডিও ধারণের অভিযোগে যুবক আটক মধ্যরাতে মহাখালী বাস টার্মিনালে পার্কিং করা বাসে আগুন রেডি হও জামায়াত, তোমাদের পাকিস্তানে পাঠানো হবে: পাপিয়া

পিরোজপুরে ভ্যান উল্টে বাবা নিহত, আহত ছেলের চিকিৎসায় প্রতিমন্ত্রীর সহায়তা

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

পিরোজপুরের নেছারাবাদে কাঠবোঝাই ভ্যান উল্টে স্বপন মিয়া (৫০) নামে এক ভ্যানচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার চার বছরের শিশুসন্তান গুরুতর আহত হয়েছে। বাবাকে হারিয়ে গুরুতর আহত শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) উপজেলার এক নম্বর বলদিয়া ইউনিয়নের রাজাবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরদিন বুধবার দুপুরে প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরিবারটির হাতে নগদ ৪০ হাজার টাকা সহায়তা তুলে দেন নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশিক আহমেদ।

স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, স্বপন মিয়া কাঠবোঝাই ভ্যান নিয়ে একটি ব্রিজে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় ভ্যানটি পাশের খালের খাদে পড়ে যায়। ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ভ্যানে থাকা তার চার বছরের শিশুসন্তানও গুরুতর আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় রাত ১০টার দিকে চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে স্বজনেরা শিশুটিকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালের উদ্দেশে নিয়ে যান।

স্বজনেরা জানান, প্রায় আট মাস আগে শিশুটির মা তিন সন্তান ও স্বামীকে রেখে অন্যত্র চলে যান। এরপর থেকে স্বপন মিয়া নিজেই চার বছরের শিশুটিকে সঙ্গে নিয়ে ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাতেন। একই সঙ্গে স্ত্রীর রেখে যাওয়া ঋণের কিস্তিও পরিশোধ করতেন। স্বপন মিয়ার আরও দুই ছেলে রয়েছে। তাদের মধ্যে বড় ছেলের বয়স ১২ বছর এবং মেজো ছেলের বয়স আট বছর। বাবার আকস্মিক মৃত্যুতে তিন সন্তানই এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, স্বপন মিয়া ছিলেন পরিবারটির একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাঁর মৃত্যু এবং ছোট শিশুটির গুরুতর অসুস্থতায় পরিবারটি চরম সংকটে পড়েছে। এরই মধ্যে স্থানীয়রা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী অর্থ সংগ্রহ করে শিশুটির চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন।

এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশিক আহমেদ বলেন, দুর্ঘটনায় পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারানো এবং শিশুটির গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুরের পক্ষ থেকে অসহায় পরিবারটিকে নগদ ৪০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। শিশুটির চিকিৎসা ও পরিবারের দুর্দশার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ সহায়তা করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...