• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বরিশালে ৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপির সমাবেশ ও র‍্যালি বরগুনায় নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার বিএনপির কর্মসূচিতে ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা তুমি বাংলাদেশের নেতা’ গান, ভিডিও ভাইরাল পটুয়াখালীর দশমিনায় পুকুর সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে যুবকের মৃত্যু ভোলার মনপুরায় স্ত্রীকে দিয়ে যৌন ব্যবসার অভিযোগ, ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক আজ ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শিক্ষাসফরের একটি বাস পুকুরে, প্রাণ গেল ২ শিক্ষকের সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত বরিশালে আওয়ামী লীগের সাত নেতাকর্মী গ্রেপ্তার বরিশালে জমি নিয়ে বিরোধে একজনকে কুপিয়ে হত্যা

চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাস প্রতারণা মামলায় গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে সপরিবারে উদ্ধার হওয়া চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসকে প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে চাঁদপুর সদরের রঘুনাথপুর এলাকার মনছুর খানের ছেলে রাসেল খান বাদী হয়ে পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে মামলা করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আর্থিক প্রয়োজনে বাদী রাসেলসহ আরও পাঁচ-ছয়জন ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে পিন্টু দাসের দোকানে স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখে নগদ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। পরে ঋণের মূল টাকা পরিশোধ করে বন্ধকি স্বর্ণালংকার ফেরত চাইলে পিন্টু দাস টালবাহানা করতে থাকেন। স্বর্ণ ফেরত দেবেন বলে আর দেননি। পরে ২০ আগস্ট সকাল ১০টায় এসে তাঁর দোকানটি বন্ধ পাওয়া যায়। বাসায় খোঁজ নিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি। পিন্টু দাসের কাছে বর্তমানে তাঁর প্রায় ৮ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার পাওনা আছে বলে এজাহারে উল্লেখ করেন বাদী।

চাঁদপুর মডেল থানার ওসি ফয়েজ আহমেদ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওনাদাররা টাকা পাবেন বলে স্বীকার করেছেন পিন্টু দাস। প্রতারণার অভিযোগের তদন্তের পাশাপাশি পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে আরও কোনো অভিযোগ রয়েছে কিনা, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এদিকে কোনো অভিযোগ না থাকায় পিন্টু দাসের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলেকে পিন্টু দাসের বাবার জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে গত শুক্রবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত পুলিশের ঢাকা ও চাঁদপুরের একাধিক তদন্তকারী দল পিন্টু দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এদিন দুপুরে চাঁদপুর মডেল থানায় প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন) লুৎফর রহমান জানান, অনেকে পিন্টু দাসের কাছে স্বর্ণ বন্ধক রাখতেন। তাঁর কাছে অনেকেই টাকা পেতেন এবং এই অভিযোগে থানায় জিডি করেন কয়েকজন। ঋণের চাপ এবং পাওনাদারদের টাকা না দিতে পারায় পিন্টু চাঁদপুরের ভাড়া বাসা এবং দোকান বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান।

গত ১৯ আগস্ট থেকে পিন্টুর মোবাইল ফোন এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। এক পর্যায়ে তাদের নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। ভাড়া বাসার মালিকের ছেলে থানায় জিডি করেন। এ অবস্থায় চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ তাদের অবস্থান শনাক্তে অনুসন্ধান শুরু করে। গত শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে পুলিশ পিন্টু দাসসহ পরিবারের সদস্যদের হেফাজতে নেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...