• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বরিশালে এসএসসি A+ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা অটোরিকশার যাত্রী কিশোরী গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে চালক আটক ‘মক্কা চুক্তিতে যোগদানের প্রস্তাব এলে ইতিবাচকভাবে দেখবে সরকার’: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রেপ্তার এড়াতে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আহত আ. লীগ নেতা প্লাস্টিকের ব্যাগে পাওয়া নবজাতকের ঠাঁই ছোটমণি নিবাসে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চিকিৎসা আগুনে পুড়ে ছাই হলো ছেলেকে প্রবাসে পাঠানোর জমানো ২৫ লাখ টাকা ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শিক্ষিকার ধর্ষণ মামলা স্ত্রীসহ বিদেশে পালানোর চেষ্টায় শেখ পরশ, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা বরিশালে সেতু আছে সংযোগ সড়ক নেই, জমি অধিগ্রহণ ছাড়াই দখলের অভিযোগ প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণে স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, বিএনপি নেতাকে অব্যাহতি

আগৈলঝাড়া থানায় হামলা-ভাঙচুর , গ্রেপ্তার ৩২

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

এক আসামির মৃত্যুর গুজবকে কেন্দ্র করে বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় ৬০ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ৪৩ জন এবং তদন্তে শনাক্ত করা হয়েছে আরও ১৭ জনকে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বরিশাল জেলা পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান।

পুলিশ সুপার জানান, গত ৮ জুলাই একাধিক মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি রিয়াজ ফকিরকে গ্রেপ্তার করে আগৈলঝাড়া থানার পুলিশ। থানার হাজতে থাকা অবস্থায় তিনি লোহার দরজায় আঘাত করে অসুস্থতার ভান করেন। পরে তাঁকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এরপর রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে ২০০ থেকে ৩০০ জনের একটি দল আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায় বলে জানায় পুলিশ।

হামলাকারীরা থানায় ঢুকে কর্তব্যরত এক কর্মকর্তাকে মারধর করে আহত করেন। এ সময় থানার একটি ল্যাপটপ নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। হামলায় চার পুলিশ সদস্য আহত হন।

জেলা পুলিশ সুপার বলেন, এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রথমে ৪৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পরে তদন্তে আরও ১৭ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে ৬০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। গত ১৬ আগস্ট পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, থানায় হামলার ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। জড়িতদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ, প্রযুক্তিগত তথ্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে দ্রুত অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হবে।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, গুজবের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

অনুষ্ঠানে রেঞ্জ ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বরিশালের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...