• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বরিশালে ৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপির সমাবেশ ও র‍্যালি বরগুনায় নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার বিএনপির কর্মসূচিতে ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা তুমি বাংলাদেশের নেতা’ গান, ভিডিও ভাইরাল পটুয়াখালীর দশমিনায় পুকুর সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে যুবকের মৃত্যু ভোলার মনপুরায় স্ত্রীকে দিয়ে যৌন ব্যবসার অভিযোগ, ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক আজ ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শিক্ষাসফরের একটি বাস পুকুরে, প্রাণ গেল ২ শিক্ষকের সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত বরিশালে আওয়ামী লীগের সাত নেতাকর্মী গ্রেপ্তার বরিশালে জমি নিয়ে বিরোধে একজনকে কুপিয়ে হত্যা

১০০০ টাকার নোট বাতিলে লিগ্যাল নোটিশ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে যথাযথ রিজার্ভ ছাড়া নতুন টাকা ছাপানো বন্ধ ও কালোটাকার বিস্তার ঠেকাতে এক হাজার টাকার নোট বাতিলের দাবি জানিয়ে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন জনস্বার্থে এ নোটিশ পাঠান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে নোটিশের প্রাপক করা হয়েছে।

নোটিশে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, রিজার্ভ বা পর্যাপ্ত ব্যাকআপ ছাড়া অতিরিক্ত মুদ্রা সরবরাহের ফলে টাকার ক্রয়ক্ষমতা কমছে। এর প্রভাব পড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে।

নোটিশদাতার দাবি, অর্থনীতিতে মুদ্রার সরবরাহ ও পণ্যের সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হলে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়তে পারে। ফলে সাধারণ, দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে তাদের ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

আইনি নোটিশে মূল্যস্ফীতিকে সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদে থাকা জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকারের সঙ্গেও যুক্ত করা হয়েছে।

নোটিশদাতার বক্তব্য, এমন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হলে মানুষের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ কারণে জনস্বার্থে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

নোটিশে এক হাজার টাকার নোট বাতিলের বিষয়েও বিস্তারিত দাবি তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, উচ্চ মূল্যমানের এ নোট দৈনন্দিন লেনদেনে সাধারণ মানুষের জন্য তুলনামূলকভাবে কম প্রয়োজনীয় হলেও দুর্নীতি, কর ফাঁকি ও অবৈধ অর্থ গোপন রাখার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার হতে পারে।

নোটিশদাতার দাবি, বড় মূল্যমানের নোটের মাধ্যমে ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ সংরক্ষণের সুযোগ তৈরি হয় এবং এতে ছায়া অর্থনীতির বিস্তার ঘটতে পারে।

এ ক্ষেত্রে ভারতের দুই হাজার রুপির নোট প্রত্যাহারের উদাহরণও নোটিশে তুলে ধরা হয়েছে। তবে ভারতের রিজার্ভ ব্যাংক ২০২৩ সালে দুই হাজার রুপির নোট প্রত্যাহারের সময় এটিকে ‘ক্লিন নোট পলিসি’র অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছিল। ওই নোট তখনও বৈধ মুদ্রা হিসেবে বহাল ছিল এবং জনগণকে ব্যাংক হিসাবে জমা বা অন্য মূল্যমানের নোটে বিনিময়ের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

নোটিশে আরও বলা হয়, স্বর্ণ, রৌপ্য ও বৈদেশিক মুদ্রার যথাযথ রিজার্ভ ছাড়া নতুন টাকা ছাপানো বন্ধ করতে হবে এবং এক হাজার টাকার নোট বাতিলের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এসব পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারকে ১৫ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট পিটিশন (পিআইএল) করা হবে বলেও নোটিশে জানানো হয়েছে।

নোটিশদাতা মো. মাহমুদুল হাসান মামুন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। তিনি অর্থনীতি, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে একাধিক ডিগ্রি অর্জনের কথা নোটিশে উল্লেখ করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...