• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পিৎজা, বার্গার, পোড়া তেলের সমুচা খেয়ে দেশটা রোগে ভরে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মৃত ভেবে দোয়া মাহফিলের, স্ত্রী’র অন্যত্র বিয়ে, ১৮ বছর পর সেই ব্যক্তি ফিরে আসেন বাড়িতে কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু বিয়ের অনুষ্ঠানের গেটে বরের কাছে বকশিশ চাওয়া নিয়ে দুপক্ষে মারামারি মানবপাচার মামলার আসামি ইলিয়াস গ্রেপ্তার দেশের সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হলেন কাজী সালাউদ্দিন যমজ কনে, যমজ বর, যমজ পুরোহিত, যমজ সহকারী – সম্পন্ন হলো ‘ঐতিহাসিক’ এক বিয়ে চারতলার সিঁড়ির রেলিং থেকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর শ্বাসনালিতে খাবার আটকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. দীপ্তি সাহার মৃত্যু

মোবাইলে ইউটিউব দেখে অ্যাপ তৈরি করেছে যমজ দুই ভাই

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

প্রযুক্তির এই যুগে অনেক শিশুর হাতে থাকে আধুনিক কম্পিউটার, ট্যাব কিংবা স্মার্ট গ্যাজেট। কিন্তু শরীয়তপুরের তিন মেধাবী ভাই-বোনের প্রযুক্তি শেখার একমাত্র ভরসা তাদের মায়ের একটি মোবাইল ফোন। সেই ফোনেই ইউটিউব দেখে তারা শিখেছে অ্যাপ তৈরি। এরই মধ্যে দুই ভাই তৈরি করেছে ই-কমার্স অ্যাপ, মেসেজিং অ্যাপ, এমনকি ছোট ছোট বৈদ্যুতিক যন্ত্রও। আর্থিক সংকট তাদের পথচলায় বাধা হয়ে দাঁড়ালেও থামাতে পারেনি অগ্রযাত্রা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শরীয়তপুর সদর উপজেলার কাশাভোগ এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক ও জান্নাতুল ফেরদৌস দম্পতির তিন সন্তান হাবিবা ইসলাম (১২), তাফসির ও তানভীর (১১)। এদের মধ্যে তাফসির ও তানভীর যমজ। বাবা একটি প্রতিষ্ঠানের রিপ্রেজেনটেটিভ হিসেবে কাজ করেন। মা গৃহিণীর পাশাপাশি সেলাইয়ের কাজ করে সংসারে সহযোগিতা করেন।

তাফসির বলেন, ‘আমরা ক্লাস সিক্সে পড়ি। ইউটিউব দেখে দেখে তিনটি ই-কমার্স অ্যাপস ও একটি কথা বলার অ্যাপস তৈরি করেছি। বায়ার অ্যাপস থেকে যেকোনো পণ্য ক্রয় করা যায়। সেলার অ্যাপস থেকে ব্যবসা করা যায়। তাছাড়া আমরা একটি কথা বলার অ্যাপ বানিয়েছি। যা আমার বাবা-মা এবং শিক্ষকদের ফোনে ইন্সটল করে কথা বলেছি। আমরা ভবিষ্যতে আরও উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে চাই।’

তানভীর বলেন, ‘অ্যাপস তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি বানিয়েছি। আমরা ফেলনা টিন কেটে মোটরের সাহায্যে একটি ব্লেন্ডার মেশিন বানিয়েছি। মোটরের সাহায্যে সেচযন্ত্র বানিয়েছি। তবে আমরা যে ধরনের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি বানাতে চাই সেগুলোর ডিভাইস আমাদের জেলা শহরে পাওয়া যায় না। পেলেও দাম অনেক বেশি থাকায় কিনতে কষ্ট হয়। আগামীতে আমরা দুটি রোবট বানাতে চাই। রোবটের একটি মানুষের কথা বুঝতে পারবে এবং ঘরের কাজে সাহায্যে করবে। আরেকটি রোবট তৈরি করবো প্যারালাইজড রোগীদের জন্য।  তবে আমাদের আর্থিক সমস্যার কারণে কম্পিউটার কিনতে ও প্রশিক্ষণ নিতে পারছি না। সরকার যদি আমাদের পাশে দাঁড়ায় আমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবো।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...