তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে গুরুতর আহত তিনজনকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
খবর পেয়ে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন শায়ন।
আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে শহরের মল্লিকপাড়ার একটি আমবাগান থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।
এদিকে, সকালে র্যাবের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় ভূক্তভোগী পরিবারের বাড়ি পরিদর্শণ করেছে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য। তিনি বলছেন, দ্রুত সময়রে মধ্যে আইনগত ব্যবস্থার নিতে পুলিশকে বলা হয়েছে।
মেহেরপুর সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর জানান, সায়ন ও স্মৃতির মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিছুদিন আগে তারা বিয়ে করেন। বিয়ের কয়েকদিন পর দাম্পত্য কলহের জেরে স্মৃতি সায়নকে তালাক দেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এ কারণেই হামলার ঘটনা ঘটেছে।
তিনি আরও জানান, আটক শায়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে হামলার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।








