• শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা অবশেষে মুখ খুললেন এমপি গাজী নজরুল ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর জাকির ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বরিশাল “বিভাগীয় বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি” গঠন প্রয়াত সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জীর পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস জহির উদ্দিন স্বপনের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আগের চেয়ে ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করছেন : গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী নৈরাজ্যের রাজনীতির বদলে আমরা কার্যকরী সংসদ তৈরি করেছি : জহির উদ্দিন স্বপন চোর সন্দেহে গ্রামবাসীর ধাওয়া, মালামাল ফেলে পালালেন তারা ইউপি নির্বাচন আগামী বছরের ৬ জুনের আগে শেষ করতে হবে: ইসি সানাউল্লাহ ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নজরদারিতে অ্যাপ চালু করল সরকার

মুক্তিপণ আদায়ে শিশুকে অপহরণ করেন বাবার মামাতো ভাই

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় মুক্তিপণের আশায় সাত বছরের শিশু ওয়াসিফা জান্নাত তাসকিনকে অপহরণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী ও শিশুটির বাবার মামাতো ভাই ফয়সালসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে ফয়সালের বাড়ি থেকেই শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুলাই সকালে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ার পশ্চিম সরফভাটা ইমাম আজম আবু হানিফা (র.) স্কুলে যায় নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসকিন। স্কুল ছুটির পর এক ব্যক্তি নিজেকে অটোরিকশাচালক পরিচয় দিয়ে শিশুটিকে জানায় যে তার বাবা হাসপাতালে ভর্তি। বাবার কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ওই ব্যক্তি শিশুটিকে গাড়িতে তুলে নেয়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও মেয়ে বাড়ি না ফেরায় শিশুটির বাবা দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে যৌথ দল। তদন্তে বেরিয়ে আসে, মুক্তিপণের জন্যই ফয়সাল এই অপহরণের ছক কষেন। অপহৃত শিশুটিকে লুকিয়ে রাখার সুবিধার্থে তিনি আগেই নিজের স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এমনকি নিখোঁজ মেয়ের সন্ধানের জন্য বাবার আয়োজিত বিশেষ দোয়া মাহফিলেও ফয়সাল স্বাভাবিকভাবে উপস্থিত ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তথ্যপ্রযুক্তির জালে আটকা পড়েন তিনি।

দ্রুততম সময়ের মধ্যে সন্তানকে অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন শিশুটির মা-বাবা।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল বলেন, ‘পূর্বপরিকল্পিতভাবে মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে ফয়সাল এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। তিনি পরিচিত কয়েকজন অটোরিকশাচালককে টাকার ভাগ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এ কাজে যুক্ত করেন।’

গ্রেপ্তার তিনজনকে ইতিমধ্যে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...