• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পিটিয়ে হত্যা, যুবদল নেতা রিমান্ডে রাজধানীর দুই স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, মোহাম্মদপুরে ট্রাকে আগুন ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নিয়ম, বাধ্যতামূলক অঙ্গীকারনামা পিরোজপুরে জেলায় দীর্ঘ ৩৫ বছর পর নতুন জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রব সেন্টমার্টিনে পৌঁছাল মৌসুমের প্রথম জাহাজ, গেলেন ৮৩৬ পর্যটক এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় নেত্রী সামান্তা শারমিন টেন্ডার না পেয়ে যুবদল নেতার হুমকি, ভয়ে কর্মস্থলে যাচ্ছেন না স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ‘কত বড় সাহস, গায়ে হাত দেয়’ জামিনের প্রশ্ন শুনে সাংবাদিককে গালাগাল পরীমনির সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি

বরিশালে উজিরপুরে জিও ব্যাগের বদলে পাটের বস্তায় মাটি দিয়ে সড়কের পাইলিং!

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা ইউনিয়নের নয়াকান্দি ফুটব্রিজ থেকে দক্ষিণ সাতলা পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার সড়ক নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৭৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। নির্মিত সড়কটি রক্ষায় পাইলিংয়ের কাজে জিও ব্যাগের পরিবর্তে পুরোনো পাটের বস্তায় মাটি ভরে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। এতে সড়ক রক্ষার কাজের মান ও স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মেসার্স তাসমিয়া এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সড়ক রক্ষার পাইলিংয়ের কাজ করছে। কিন্তু কাজে নির্ধারিত জিও ব্যাগের পরিবর্তে পুরোনো পাটের বস্তায় মাটি ভরে ব্যবহার করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন পানির সংস্পর্শে থাকলে পাটের বস্তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় এভাবে পাইলিং কতটা টেকসই হবে, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক রক্ষার কাজে নির্ধারিত উপকরণের পরিবর্তে পুরোনো পাটের বস্তা ব্যবহার করা হলে প্রকল্পের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। একই সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত এলজিআরডি প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের তদারকি ও দায়িত্ব পালনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন, জিও ব্যাগের পরিবর্তে পুরোনো পাটের বস্তা ব্যবহারের অনুমোদন আছে কি না? আর অনুমোদন না থাকলে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীর তদারকির মধ্যেই এমন কাজ কীভাবে চলছে?

স্থানীয়দের আশঙ্কা, পানিতে পাটের বস্তা দ্রুত নষ্ট হয়ে গেলে পাইলিং দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। এতে প্রায় ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটি ফের ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে সরকারি অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি ভবিষ্যতে জনদুর্ভোগও বাড়তে পারে।

এ বিষয়ে উপজেলা এলজিআরডি প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বিষয়টি সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রকল্পের নকশা ও কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হবে।”

এলাকাবাসী দ্রুত সরেজমিন তদন্ত করে পাইলিংয়ে ব্যবহৃত উপকরণের মান যাচাই এবং প্রকল্পের নকশা ও কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে নির্ধারিত মান অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করার পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...