• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পিৎজা, বার্গার, পোড়া তেলের সমুচা খেয়ে দেশটা রোগে ভরে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মৃত ভেবে দোয়া মাহফিলের, স্ত্রী’র অন্যত্র বিয়ে, ১৮ বছর পর সেই ব্যক্তি ফিরে আসেন বাড়িতে কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু বিয়ের অনুষ্ঠানের গেটে বরের কাছে বকশিশ চাওয়া নিয়ে দুপক্ষে মারামারি মানবপাচার মামলার আসামি ইলিয়াস গ্রেপ্তার দেশের সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হলেন কাজী সালাউদ্দিন যমজ কনে, যমজ বর, যমজ পুরোহিত, যমজ সহকারী – সম্পন্ন হলো ‘ঐতিহাসিক’ এক বিয়ে চারতলার সিঁড়ির রেলিং থেকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর শ্বাসনালিতে খাবার আটকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. দীপ্তি সাহার মৃত্যু

ইংল্যান্ডের তৃতীয় স্থান, রেকর্ড গড়েও হার ফ্রান্সের

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন শেষ হওয়ার পর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে শুরুটা ছিল ফ্রান্সের জন্য দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের দাপটে চার গোল হজম করে কার্যত ছিটকে পড়ে দিদিয়ে দেশমের দল। তবে বিরতির পর দারুণ প্রত্যাবর্তন করে ম্যাচে রোমাঞ্চ ফিরিয়ে আনে তারা। শেষ পর্যন্ত বুকায়ো সাকার হ্যাটট্রিকে ৬-৪ গোলের জয়ে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করে টমাস টুখেলের ইংল্যান্ড।

শনিবার মায়ামি গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম গোলবহুল তৃতীয় স্থান নির্ধারণী লড়াই হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। ১০ গোলের এই ম্যাচটি এ ধরনের ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় তৃতীয়।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে এই প্রথম চার গোলে পিছিয়ে পড়ে ফ্রান্স। পাশাপাশি ৫৮ বছর পর কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধেই চার গোল হজম করে তারা। এর আগে ১৯৬৮ সালে ইউরো বাছাইয়ে যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধে চার গোল খেয়েছিল ফরাসিরা।

দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য পাল্টে যায় ম্যাচের চিত্র। ৪৮তম মিনিটে মাইকেল ওলিসের পাস থেকে নিজের নবম গোল করেন এমবাপে। ছয় মিনিট পর এমবাপের বাড়ানো বল জালে জড়িয়ে ব্যবধান আরও কমান বারকোলা।

৬৬তম মিনিটে ওলিসের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এমবাপে। এই গোলের মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার নতুন রেকর্ড গড়েন। তার গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ২২, যা লিওনেল মেসির ২১ গোলের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যায়। চলতি আসরেও ১০ গোল নিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার অবস্থানে ওঠেন তিনি। আট গোল নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মেসি।

এ ম্যাচেই আরেকটি রেকর্ড গড়েন মাইকেল ওলিসে। এমবাপের দ্বিতীয় গোলে সহায়তা করে বিশ্বকাপে এক আসরে সর্বোচ্চ সাত অ্যাসিস্টের মালিক হন তিনি। এর আগে ১৯৭০ বিশ্বকাপে ছয় অ্যাসিস্টের রেকর্ড ছিল ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলের।

ফ্রান্স যখন সমতায় ফেরার স্বপ্ন দেখছে, তখন ৮৭তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সাকা। এটি বিশ্বকাপে তার প্রথম হ্যাটট্রিক। বিশ্বকাপে তার মোট গোল দাঁড়ায় ছয়টি, যার তিনটি এসেছিল আগের আসরে। জাতীয় দলের জার্সিতে এটি তার ১৭তম গোল।

যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে বদলি নেমে গোল করে ব্যবধান আবার এক গোলে নামিয়ে আনেন উসমান দেম্বেলে। এতে শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তার আভাস মিললেও সেটি স্থায়ী হতে দেননি জুড বেলিংহ্যাম। নিজেদের অর্ধ থেকে বল নিয়ে একক নৈপুণ্যে কয়েকজনকে কাটিয়ে জোরালো শটে ইংল্যান্ডের ষষ্ঠ গোলটি করেন তিনি। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার সপ্তম গোল।

শেষ বাঁশি বাজার পর পরাজিত হলেও ফরাসি খেলোয়াড়দের মুখে তেমন হতাশার ছাপ ছিল না। তবে বিশ্বকাপজয়ী কোচ দিদিয়ে দেশমের বিদায়ী ম্যাচটি জয় দিয়ে রাঙাতে না পারার আক্ষেপ থেকেই গেল এমবাপে-দেম্বেলেদের। এই ম্যাচের মধ্য দিয়েই ফ্রান্সের ডাগআউটে এক যুগের বেশি সময়ের দেশম অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...