• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পকেট গেট এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ‘ডিসেম্বরে আপার ফেরার কোনো সুযোগ নেই, এলে ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত’: নাহিদ ইসলাম বাড়ির চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধ, প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধ নিহত কুয়াকাটায় পর্যটকবাহী ভ্যান উল্টে প্রাণ গেল নারী চিকিৎসকের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বড় ভাইয়ের দায়ের কোপে ছোট ভাই নিহত এইচএসসির ফল পুনর্মূল্যায়ন আবেদনের সময় বাড়ল প্রধানমন্ত্রীর মহাসমাবেশে যোগ দিতে এসে প্রাণ গেল গ্রাম পুলিশ জামশেদের বরিশালে নারীদের গোপন ভিডিও ধারণের অভিযোগে যুবক আটক মধ্যরাতে মহাখালী বাস টার্মিনালে পার্কিং করা বাসে আগুন রেডি হও জামায়াত, তোমাদের পাকিস্তানে পাঠানো হবে: পাপিয়া

ভুয়া পূজামণ্ডপ দেখিয়ে সরকারি চাল উত্তোলনের অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় পূজামণ্ডপে পূজা না হলেও সরকারি চাল বরাদ্দ ও উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।

‎বরাদ্দ তালিকায় দেখা যায়, বেতগাড়ি ইউনিয়নের ২১টি পূজামণ্ডপের প্রতিটির নামে ৬০০ কেজি করে মোট ১২ হাজার ৬০০ কেজি চাল বরাদ্দ দেখানো হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে পুটিমারী পশ্চিমপাড়া দুর্গা মন্দির এবং পশ্চিম খাপড়িখাল সার্বজনীন কালী ও দোন্দোরা সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরের নাম। কিন্তু তালিকাভুক্ত দুটি মন্দিরে এবারে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। তবু এই দুটি মন্দিরের নামে বরাদ্দ চাল উত্তোলন করাও হয়েছে।

পিআইও মাইদুল ইসলামের যোগসাজসে পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার রায় ভুয়া পূজামণ্ডপ দেখিয়ে সরকারি চাল উত্তোলন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

‎পুটিমারী পশ্চিমপাড়া দুর্গা মন্দিরের সভাপতি স্বাধীন চন্দ্র রায় বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না। আমি কোথাও কোনো স্বাক্ষর করিনি। পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তপন চন্দ্র এসব কাজ করেছেন বলে পরে জানতে পেরেছি।

একই অভিযোগ পশ্চিম খাপড়িখাল সার্বজনীন কালী ও দুর্গা মন্দিরের সভাপতি পরিমল চন্দ্র রায়ের। তিনি বলেন, ২০২৫ সাল থেকে এখানে কোনো পূজা উদ্‌যাপন করা হয়নি। এবারও হয়নি। কে বা কারা তারপরও চাল বরাদ্দ নিয়েছে। এই বিষয়ে আমি জানি না।

অভিযোগ বিষয়ে পিআই মাইদুল ইসলাম বলেন, এটা কোনো বিষয় না, এগুলো অটোমেটিক ঠিক হবে।

পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার রায় অভিযোগের বিষয়ে বলেন, এটা ভুল হয়েছে, আমরা উত্তোলনকৃত চাল ফেরত দেব।

এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার বলেন, বিষয়টি জানার পর খোঁজ নিয়ে সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে বরাদ্দ চাল ফেরতের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় কারও অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...