• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বরিশাল “বিভাগীয় বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি” গঠন প্রয়াত সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জীর পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস জহির উদ্দিন স্বপনের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আগের চেয়ে ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করছেন : গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী নৈরাজ্যের রাজনীতির বদলে আমরা কার্যকরী সংসদ তৈরি করেছি : জহির উদ্দিন স্বপন চোর সন্দেহে গ্রামবাসীর ধাওয়া, মালামাল ফেলে পালালেন তারা ইউপি নির্বাচন আগামী বছরের ৬ জুনের আগে শেষ করতে হবে: ইসি সানাউল্লাহ ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নজরদারিতে অ্যাপ চালু করল সরকার সাতক্ষীরায় পাঁচটি ৫০০ টাকার জাল নোটসহ কিশোর আটক পুত্রবধূকে ধর্ষণের দায়ে শ্বশুরের যাবজ্জীবন নির্বাচনী এজেন্টের ব্যাংক হিসাব দাখিল বাধ্যতামূলক করল ইসি

‘ছোটবেলার ক্ষোভ থেকে মাকে হত্যা’

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

ছোটবেলা থেকেই ক্ষোভ ছিল মায়ের প্রতি। কারণ- একাধিক বিয়ে করেছিলেন তিনি। সেই ক্ষোভের জেরে মাকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেছেন চাঁদপুরের মতলবের মো. জনি। তার দেওয়া স্বীকারোক্তির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে থানা পুলিশ।

গত ২৫ জুন সকালে ৯৯৯-এ কল পেয়ে মতলব উত্তর উপজেলার কলাকান্দা ইউনিয়নের হানিরপাড় এলাকার একটি কলাবাগান নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার বয়স ৫০, দেহটি ছিল অর্ধগলিত।দেহের অবস্থা দেখে পুলিশের ধারণা ছিল, বেশ কিছুদিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে। মৃতের পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ শনাক্তে কাজ শুরু করে পুলিশ, পিবিআই ও সিআইডি।

ঘটনা তদন্তে জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানের নির্দেশে পরে গঠন করা হয় বিশেষ দল। কয়েকদিনের তদন্ত শেষে সন্দেহ হয় ছেংগারচর পৌর এলাকার মুল্লুক মাঝির কান্দি গ্রামের জনি নামের এক যুবকের ওপর। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ওই নারী তার মা, নাম মাজিদা বেগম।

গতকাল বৃহস্পতিবার মতলব উত্তর থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানিয়েছেন জনিকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য। জনির ভাষ্য, মা একাধিক বিয়ে করায় বাবার পারিবারিক স্নেহ থেকে বঞ্চিত ছিলেন তিনি। অবহেলায় বড় হয়েছেন মামার বাড়িতে। এ কারণে মায়ের প্রতি ছিল ক্ষোভ। এর জেরেই গত ১৭ জুন মাকে ছেংগারচর বাজার থেকে অটোরিকশায় কলাকান্দা ইউনিয়নের ওই কলাবাগানে নিয়ে যান।

সেখানে বাগানের দুই আইলের মাঝে জমে থাকা পানিতে চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তাকে। তার মোবাইল ফোন ফেলে দেন দূরের একটি পুকুরে। জনির দেওয়া তথ্যে ওই পুকুর থেকে নিহতের মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মতলব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জাবীর হুসনাইন সানীব বলেছেন, ‘এই মামলা ছিল একেবারে ক্লুলেস। আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তদন্ত টিম দিনরাত পরিশ্রমে প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিকে গ্রেপ্তার করা গেছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...