• শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর জাকির ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বরিশাল “বিভাগীয় বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি” গঠন প্রয়াত সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জীর পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস জহির উদ্দিন স্বপনের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আগের চেয়ে ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করছেন : গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী নৈরাজ্যের রাজনীতির বদলে আমরা কার্যকরী সংসদ তৈরি করেছি : জহির উদ্দিন স্বপন চোর সন্দেহে গ্রামবাসীর ধাওয়া, মালামাল ফেলে পালালেন তারা ইউপি নির্বাচন আগামী বছরের ৬ জুনের আগে শেষ করতে হবে: ইসি সানাউল্লাহ ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নজরদারিতে অ্যাপ চালু করল সরকার সাতক্ষীরায় পাঁচটি ৫০০ টাকার জাল নোটসহ কিশোর আটক পুত্রবধূকে ধর্ষণের দায়ে শ্বশুরের যাবজ্জীবন

মাভাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস, ক্যাম্পাসে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) সিপিএস বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে আপত্তিকর অবস্থায় পেয়ে ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের (সিপিএস ও মেকানিক্যাল বিভাগ) মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটেছে।

ভিডিও প্রকাশের পরপর (১ সেপ্টেম্বর) ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ এড়াতে প্রক্টর অফিসে পূর্ব লিখিত সমঝোতা হওয়ার পরও বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে পুনরায় সিপিএস এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘাতের সৃষ্টি হয়।

জানা গেছে, গত ১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় পেয়ে মারুফ (মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ) নামের এক শিক্ষার্থী ভিডিও ধারণ করেন এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। এতে ক্যাম্পাসে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ওই দিনই প্রক্টর কার্যালয়ে এক জরুরি বৈঠক ডাকা হয়। সিপিএস (ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স) বিভাগ, সাংবাদিক প্রতিনিধি এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ আলোচনা শেষে উপস্থিত সবাই সমঝোতাপত্রে স্বাক্ষর করে ঘটনাটির স্থায়ী নিষ্পত্তিতে একমত পোষণ করেন।

পূর্বের লিখিত চুক্তির পরও ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে ক্যাম্পাসে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। সিপিএস বিভাগের শিক্ষার্থীরা দাবি করেন―ওই ভিডিও অন্য আরেকটি পেজে পুনরায় ছড়িয়ে যাওয়ার বিষয়ে, আর সেটিকে কেন্দ্র করে তারা (সিপিএস বিভাগের শিক্ষার্থীরা) মারুফের ফোন পুনরায় কেড়ে নেয়। ফোনটি পুনরায় উদ্ধার নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সিপিএস বিভাগের শিক্ষার্থী ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা সংঘাতমুখী অবস্থান নেয় এবং ধাওয়া-পালটাধাওয়ায় লিপ্ত হয়। এ অবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ বাধা প্রদান করতে গেলে তার মাথায় আঘাত করা হয়। পরে মুহূর্তের মধ্যেই ক্যাম্পাসে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।

এ সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে মেকানিক্যাল বিভাগের সাজিদ এবং ইশতিয়াক আহমেদ (পরিসংখ্যান) গুরুতর আহত হন। এরপর তাদের টাঙ্গাইল জেলা সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয় বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ বলেন, আমরা ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। ইতোমধ্যে পরিসংখ্যান বিভাগের দুজন শিক্ষক আহতদের দেখতে গেছেন। আমরা এখন সবাইকে নিয়ে বৈঠকে বসব এবং বিষয়টি পুনরায় খতিয়ে দেখব। ইনভেস্টিগেশন শেষ হলে আলোচনার ভিত্তিতে এর সমাধান বা শাস্তি নিয়ে জানানো সম্ভব হবে। এর আগে সমঝোতায় আসার পরও পুনরায় এরূপ ঘটনা ন্যক্কারজনক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...