• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
এই নারী আমার স্ত্রী নন, জামায়াত নেতার সাবেক বউ: গোলাম মাওলা রনি মিরপুরে ২০ টি ককটেলসহ সাবেক নিষিদ্ধ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার বরিশালে কীর্তনখোলা নদীতে পড়ে যাওয়া ফুটবল তুলতে নেমে স্রোতে ভেসে গেল এক কিশোর নতুন কুঁড়ি সিজন-১ প্রতিযোগিতায় দেশ সেরা কাবাডি খেলোয়াড় মীর সাফি বজ্রপাতে নিহত ছয় কবর ঘিরে রহস্যময় আতঙ্ক, রাত জেগে পাহারায় স্বজনরা ভাগ্নিকে ধর্ষণের অভিযোগে মামা গ্রেফতার সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পিটিয়ে হত্যা, যুবদল নেতা রিমান্ডে রাজধানীর দুই স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, মোহাম্মদপুরে ট্রাকে আগুন ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নিয়ম, বাধ্যতামূলক অঙ্গীকারনামা পিরোজপুরে জেলায় দীর্ঘ ৩৫ বছর পর নতুন জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রব

স্বামী মারা যাওয়ার শোকে ১৫ বছর ‘স্বেচ্ছাবন্দী’, প্রশাসনের সহায়তায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর অবশেষে জরাজীর্ণ বসতঘরের দীর্ঘ ১৫ বছরের বন্দিদশা থেকে মুক্ত করা হয়েছে মানসিক ভারসাম্যহীন সালেহা বেগমকে। উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় চিকিৎসার জন্য তাকে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের নাচনাপাড়া এলাকার চরম ঝুঁকিপূর্ণ বসতঘর থেকে ছেলে জিয়াউর রহমান তাকে বের করে আনেন। এ সময় উদ্ধার কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুজ্জামান ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, স্বামী আবুল কালামের মৃত্যুর পর থেকেই এই জরাজীর্ণ ঘরে নিজেকে গুটিয়ে নেন সালেহা। দীর্ঘ ১৫ বছরে তিনি একবারের জন্যও ঘরের বাইরে পা রাখেননি, কথা বলেননি কারও সঙ্গে। চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কাটানো এই দীর্ঘ সময়ে তিনি কীভাবে দৈনন্দিন কাজ বা গোসল সারতেন, তা-ও জানা ছিল না প্রতিবেশী বা স্বজনদের।

দীর্ঘদিন ধরে তার মেয়ে লাকী বেগম তাকে খাবার দিয়ে আসছিলেন। অন্যদিকে ছেলে জিয়াউর রহমান নিজে যক্ষ্মায় আক্রান্ত হওয়ায় সাধ্য থাকা সত্ত্বেও মায়ের দেখাশোনা করতে পারছিলেন না।

সালেহা বেগমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বস্তি প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। দীর্ঘদিন ধরে নিঃশব্দে চলা এই অমানবিক অধ্যায়ের অবসানে সন্তোষ জানানোর পাশাপাশি তারা সালেহার উন্নত চিকিৎসা এবং স্থায়ী বসবাসের জন্য একটি নতুন ঘর নির্মাণের দাবি জানান।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুজ্জামান জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সালেহা বেগমের যাবতীয় চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন ও সহায়তা প্রদান করা হবে। চিকিৎসার পাশাপাশি তার নিরাপদ বসবাসের সুবিধার্থে একটি নতুন ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...