
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার খবরে আনন্দে ভাসছে তার নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঠাকুরগাঁও শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আনন্দ প্রকাশ করেন। এ সময় তারা মিষ্টি বিতরণ করেন এবং একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শুধু একজন দলীয় নেতা নন, তিনি একজন আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ত্যাগ-তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে উঠে আসা বর্ষীয়ান নেতা। তার মতো অভিজ্ঞ ও ত্যাগী রাজনীতিবিদকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ায় বিএনপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ।
নিজেদের অনুভূতি জানতে চাইলে জেলার মানুষ বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমাদের গর্ব। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ায় আমরা আনন্দিত এবং বিএনপিকে ধন্যবাদ জানাই। রাজনীতির দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের সন্তান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের খবরে তাই স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত নিজ জেলার মানুষ।
জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম শরিফ বলেন, মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নে শুধু ঠাকুরগাঁও নয়, সারাদেশের মানুষ আনন্দিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে রাজনীতি করেছেন এবং কারাবরণও করেছেন। তার ত্যাগ ও সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের গর্ব। তার মনোনয়নের খবরে জেলার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করেন তিনি।
মির্জা ফখরুলের ছোট ভাই ও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, এটি তাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের মুহূর্ত। তবে এই আনন্দ শুধু পরিবারের নয়, ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতিটি মানুষের। দীর্ঘদিন ধরে মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য মির্জা ফখরুল রাজনীতি করেছেন উল্লেখ করে তার জন্য সবার কাছে দোয়া ও শুভকামনা চান তিনি।
স্থানীয়রা আরও বলছেন, রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও দীর্ঘদিন রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা, দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার এবং জাতীয় রাজনীতিতে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতার কারণেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার মনোনয়নকে তারা ইতিবাচকভাবে দেখছেন।
মিষ্টি বিতরণ আর আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁওবাসীর প্রত্যাশা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলে তিনি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞা দিয়ে দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।