
রাজধানীর বারিধারায় প্রাইভেট কারের চাপায় নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান মীম মৃত্যুর ঘটনায় কিশোর চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। কিশোরের বিরুদ্ধে শিশু আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে গুলশান থানা। তবে নিহতের ভাইয়ের করা মামলায় ওই কিশোরের নাম নেই।
বুধবার সন্ধ্যায় ওই কিশোরকে বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জায়েদ নূর। তিনি বলেন, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ওই কিশোরকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বয়স কম হওয়ায় শিশু আইনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের ভাই মোক্তাদীর ইসলাম যাকে আসামি করে মামলা করেছেন, এজাহারে তারই নাম দেওয়া হয়েছে। ওই কিশোরকে আটক করার পর পরিবারের কাছে দিয়ে দেওয়ার বিষয়েও পুলিশ বলছে, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে তার বিষয়টি তারা নিশ্চিত হয়েছেন। তবে তার বয়স কম। তার বিরুদ্ধে শিশু আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওই কিশোর আটক আছে কি না, জানতে চাইলে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জায়েদ নূর বলেন, তার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দ্রুতগতির একটি প্রাইভেটকার ফুটপাতে বসে থাকা মেহেদীকে চাপা দিয়ে দুটি লাইট পোস্টে ধাক্কা দেয়। পরে পথচারী ও নির্মাণশ্রমিকেরা গাড়িটি তুলে তাকে উদ্ধার করেন। পুলিশ তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।