
প্রেম এবং পারিবারিক বিরোধের জের ধরে খুনের শিকার ছয় বছরের শিশু বিথী রাণী ভুতি। কুড়িগ্রাম সদরের ভোগডাঙ্গার উত্তর কুমরপুর ডুংডুংগীরহাট মাঝিপাড়ায় সোমবার রাতে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত বিথী অমল চন্দ্রের মেয়ে।
পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৮ জনকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়। এদের একজন পুরুষ, চার নারী এবং তিন শিশু ছিল।
মঙ্গলবার বিকালে নিহতের পিতা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করে। এ মামলায় পুলিশ এলাকার গোপীনাথের স্ত্রী পুটালী ও কন্যা সোহাগিকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে। বিচারক তাদের জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দেন। আটক অন্য ছয়জনকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উত্তর কুমরপুর ডুংডুংগীরহাট মাঝিপাড়ার অমল চন্দ্রের কন্যা বিথী রানী ভুতিকে সোমবার দুপুর ১২টা থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজি এবং মাইকিং করা হয়। এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
কোথাও কোনো খোঁজ না পেয়ে সন্ধ্যার পর বাবা অমল চন্দ্র প্রতিবেশীদের নিয়ে পাড়ার প্রতিটি বাড়ি তল্লাশি শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে প্রতিবেশী গোপীনাথের বাড়ির টিউবওয়েলের ঢালে ছোট গর্তে শিশুটির লাশ ভাসতে দেখে লোকজন। লাশটি উদ্ধার করে দেখেন সেটি বিথী রাণীর নিথর দেহ।