
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার ভোর সোয়া ৪টার দিকে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার স্ত্রী নূর আখতার, কন্যা (নিলুফার জমির) ও দুই পুত্রসন্তান রেখে গেছেন (নওশাদ জমির ও নওফেল জমির)।
তার জানাজা নামাজ বাদ জোহর ধানমন্ডি তাকওয়া মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে জানাজা পর্ব সম্ভব হবে না বলে তার বড় ছেলে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির এমপি জানিয়েছেন।
২০০১ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। এছাড়া ২০০২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের পর সংবিধান অনুযায়ী ২১ জুন থেকে ৬ সেপ্টেম্বর ২০০২ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি পাঁচবার জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৯, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৯ সালের নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হন। পঞ্চগড়-১, ঢাকা-৯, বগুড়া-৬ এবং দিনাজপুর-১ আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেন।
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও আবদুস সাত্তার এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি গণপূর্ত ও নগর উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, ভূমি প্রতিমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।