• শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত প্রতিমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে রিজভী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিটকিনি আটকানো নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা ধর্ম বা অন্য কোনো বিভাজনের ভিত্তিতে নয়, নাগরিক পরিচয়েই সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রায় দুই হাজার আইফোনসহ ৬ চীনা নাগরিক গ্রেফতার বরযাত্রীর গাড়ি থামিয়ে ‘মিষ্টির টাকা’ দাবি করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ মাইকে ঘোষণা দিয়ে মাদক কারবারির বাড়িতে হামলা লং মার্চে বাধা দিলে সরকার জনরোষে পড়বে: গোলাম পরওয়ার শিবপুরে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবা নিহত, আহত মা ও ভাই বরগুনায় বসতঘর থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার অপশক্তির বিরুদ্ধে সনাতনীরা সরকারের পাশে থাকবে, আইনমন্ত্রীর আশা

সব নাগরিকের জন্য ‘এক-আইডি’, জন্মের পরই মিলবে ডিজিটাল পরিচয়

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

দেশের সব নাগরিককে জন্মের পর পরই একটি একক স্থায়ী ও স্বতন্ত্র পরিচয়পত্র দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ‘ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডেনটিটি’ বা ‘এক-আইডি’ নামের এই কার্ডটি নাগরিকের সারা জীবনের জন্য ব্যবহৃত হবে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য সরকারি সেবা সহজ করতে এটি চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) ‘ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাকসেস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স’ বা ‘ডি-স্টার’ (D-STAR) শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত প্রকল্পটির অনুমোদনে ইতোমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মামুনুর রশীদ ভূঞা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বর্তমানে ১৮ বছর পূর্ণ হলে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেওয়া হলেও নতুন ব্যবস্থায় কোনো বয়সের সীমা থাকছে না। জন্মের পরই শিশুদের এই কার্ড দেওয়া হবে। আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ধীরে ধীরে এনআইডি, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিদ্যমান সেবাগুলো এই এক-আইডির আওতায় আনা হবে।

আইসিটি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এই ধারণাকে ‘একজন নাগরিক, একটি ডিজিটাল পরিচয়, একটি ওয়ালেট’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। নতুন এই ব্যবস্থা তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, এস্তোনিয়া ও ভারতের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জনশুমারি অনুযায়ী ১৮ কোটি নাগরিকের জন্য এই আইডি কার্ড তৈরি করা হবে, তবে সব মিলিয়ে কার্ড উৎপাদন ও মুদ্রণ হবে ২০ কোটি। প্রতিটি হাই-টেক ‘পলিকার্বোনেট চিপ কার্ড’ তৈরি ও মুদ্রণে দুই ডলার (প্রায় ২৪৬ টাকা) এবং বিতরণ ও সরবরাহে এক ডলার (প্রায় ১২৩ টাকা) খরচ হবে। অর্থাৎ প্রতিটি কার্ড বিতরণে মোট ব্যয় হবে প্রায় ৩৬৯ টাকা।

৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পের মধ্যে সরকার দেবে ৭ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা এবং বিশ্বব্যাংক ঋণ হিসেবে দেবে ১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা। প্রকল্পের সবচেয়ে বড় ব্যয় ধরা হয়েছে বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ, কার্ড উৎপাদন, মুদ্রণ ও বিতরণে; যেখানে ৭ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা খরচ হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যমান বিভিন্ন পরিচয়পত্রের ডাটাবেজের মধ্যে আন্তসংযোগ তৈরি করা গেলে নাগরিকদের তথ্য জমা দেওয়ার ভোগান্তি কমবে এবং সরকারি সেবা প্রদান প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...