• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চুরির অভিযোগ তুলে মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের অভিযোগ বাগেরহাটে ডাকাতির মূলহোতাসহ গ্রেফতার ৪ কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের শৌচাগারে গলায় ফাঁস দিয়ে হাজতির মৃত্যু সিলেটে মিছিলের প্রস্তুতিকালে আ. লীগের ১২ নেতাকর্মী আটক আপনাদের পয়সা না দিলে শ্রমিকদের ৩০ না ৪০ হাজার টাকা বেতন দিতে পারতাম ময়লা-আবর্জনায় ভরা খাল পরিস্কারের কাজে ইউএনও, উজিরপুরে খাল পরিস্কারে অনন্য দৃষ্টান্ত এই নারী আমার স্ত্রী নন, জামায়াত নেতার সাবেক বউ: গোলাম মাওলা রনি মিরপুরে ২০ টি ককটেলসহ সাবেক নিষিদ্ধ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার বরিশালে কীর্তনখোলা নদীতে পড়ে যাওয়া ফুটবল তুলতে নেমে স্রোতে ভেসে গেল এক কিশোর নতুন কুঁড়ি সিজন-১ প্রতিযোগিতায় দেশ সেরা কাবাডি খেলোয়াড় মীর সাফি

‘ছোটবেলার ক্ষোভ থেকে মাকে হত্যা’

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

ছোটবেলা থেকেই ক্ষোভ ছিল মায়ের প্রতি। কারণ- একাধিক বিয়ে করেছিলেন তিনি। সেই ক্ষোভের জেরে মাকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেছেন চাঁদপুরের মতলবের মো. জনি। তার দেওয়া স্বীকারোক্তির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে থানা পুলিশ।

গত ২৫ জুন সকালে ৯৯৯-এ কল পেয়ে মতলব উত্তর উপজেলার কলাকান্দা ইউনিয়নের হানিরপাড় এলাকার একটি কলাবাগান নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার বয়স ৫০, দেহটি ছিল অর্ধগলিত।দেহের অবস্থা দেখে পুলিশের ধারণা ছিল, বেশ কিছুদিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে। মৃতের পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ শনাক্তে কাজ শুরু করে পুলিশ, পিবিআই ও সিআইডি।

ঘটনা তদন্তে জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানের নির্দেশে পরে গঠন করা হয় বিশেষ দল। কয়েকদিনের তদন্ত শেষে সন্দেহ হয় ছেংগারচর পৌর এলাকার মুল্লুক মাঝির কান্দি গ্রামের জনি নামের এক যুবকের ওপর। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ওই নারী তার মা, নাম মাজিদা বেগম।

গতকাল বৃহস্পতিবার মতলব উত্তর থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানিয়েছেন জনিকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য। জনির ভাষ্য, মা একাধিক বিয়ে করায় বাবার পারিবারিক স্নেহ থেকে বঞ্চিত ছিলেন তিনি। অবহেলায় বড় হয়েছেন মামার বাড়িতে। এ কারণে মায়ের প্রতি ছিল ক্ষোভ। এর জেরেই গত ১৭ জুন মাকে ছেংগারচর বাজার থেকে অটোরিকশায় কলাকান্দা ইউনিয়নের ওই কলাবাগানে নিয়ে যান।

সেখানে বাগানের দুই আইলের মাঝে জমে থাকা পানিতে চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তাকে। তার মোবাইল ফোন ফেলে দেন দূরের একটি পুকুরে। জনির দেওয়া তথ্যে ওই পুকুর থেকে নিহতের মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মতলব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জাবীর হুসনাইন সানীব বলেছেন, ‘এই মামলা ছিল একেবারে ক্লুলেস। আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তদন্ত টিম দিনরাত পরিশ্রমে প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিকে গ্রেপ্তার করা গেছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...