• মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন

‘খাসি না পেয়ে বিয়ে ভাঙা’, পাত্রের পাল্টা অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিয়ের খাবারে আস্ত খাসি না পাওয়ায় বিয়ে না করে চলে যাওয়া জাপান প্রবাসী বর জোনায়েদ মিয়া পালটা অভিযোগ করেছেন। কনেপক্ষের বিরুদ্ধে পূর্বনির্ধারিত কাবিনের চেয়ে ১০ গুণ বেশি কাবিন দাবি, যোগাযোগে বাধা এবং তাকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে এসব অভিযোগ করেন জোনায়েদ মিয়া।

ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, আসসালামু আলাইকুম। আমি জোনায়েদ মিয়া। গতকাল থেকে আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ চালানো হচ্ছে, টাকা দিয়ে ভুয়া সাংবাদিক ভাড়া করে এসব করানো হচ্ছে।

বিয়ের আসরে বসে খাওয়া দাওয়া শেষে মেয়েপক্ষ আমার কাছে পূর্ব নির্ধারিত এমাউন্ট এর চেয়ে ১০ গুন অতিরিক্ত কাবিন দাবি করে। আমি এবং আমার পরিবার তা দিতে অস্বীকার করলে এবং কথা কাটাকাটি-তর্কাতর্কি শুরু হলে তারা আমাদের বিয়ের আসর থেকে বের করে দেয়, এবং পরবর্তীতে আমাদের সকল লাগেজ, যা আমরা তাদের মেয়ের জন্য নিয়ে গেছিলাম সেটা ফেরত পাঠায়।

তিনি আরো লিখেন, উল্লেখযোগ্য যে, মেয়ের সঙ্গে আমাকে কোনোরকম যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি এবং সে যাতে যোগাযোগ করতে না পারে, সেভাবেই তার বাবা তাকে শাসিয়েছে। রাতে তারা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে বিয়ে করতে বললেও আমি তাতে রাজি হইনি।

ফলে আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে আমাকে জবাই করে ফেলার।  তারপর তারা রাত থেকে টাকা দিয়ে ভাড়া করা সাংবাদিক দিয়ে নিজ খুশি মতো ভুয়া পোস্ট করিয়ে আমার সম্মানহানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আপনারা এগুলাতে বিচলিত হবেন না সেই আশা করছি। ধন্যবাদ।
তবে জোনায়েদের বক্তব্যের সঙ্গে স্থানীয়দের বক্তব্য সম্পূর্ণ বিপরীত।

নিয়ামতপুর গ্রামের গ্রাম পুলিশ সালাম মিয়া জানান, ঘটনাটি খাসিকে কেন্দ্র করেই হয়েছে বলে । একই গ্রামের বর্তমান ইউপি সদস্য মো. আলামিনও বলেন, ঘটনার সূত্র খাসিকে কেন্দ্র করেই হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।

এর আগে কনের বাবা মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, বিয়ের অনুষ্ঠানে খদ্দরের খাসি না থাকায় বর আপত্তি করেন। তাকে বোঝানোর চেষ্টা করা হলেও তিনি খাসি ছাড়া বিয়ে করতে রাজি হননি। পরে বিয়ে না করেই চলে যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...