• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যমুনা সেতুতে দুর্ঘটনা, উত্তরবঙ্গমুখী লেনে যান চলাচল বন্ধ বরগুনায় পিতার জিম্মায় ৩ বছরের শিশু, খালার ফৌজদারি রিভিশন খারিজ বরগুনায় নদীর তীরে ভেসে এল ৩২ ফুট লম্বা তিমির মৃতদেহ জামায়াতকর্মীর বাবার গুদামে সরকারি চাল, ভিডিও করায় দুই যুবককে মারধর মিথ্যা বললে শরীরে যেসব ক্ষতি হয় বাবার ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে ছেলের মৃত্যু মাদ্রাসা নিয়ে কটূক্তিমূলক পোস্টের অভিযোগে স্কুলশিক্ষক আটক মাদক মামলায় পুলিশ হেফাজতে আটক নারীকে আদালতে নেয়ার পথে মৃত্যু আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ২০ শতাংশ বাড়ছে বেকারি পণ্যের দাম দুই দিন পর ছেলের বিয়ে, বাজার করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-মায়ের

বরগুনায় পিতার জিম্মায় ৩ বছরের শিশু, খালার ফৌজদারি রিভিশন খারিজ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

বরগুনায় খালার করা ফৌজদারি রিভিশন মামলা খারিজ করে ৩ বছর ৪ মাস বয়সি কন্যাশিশুকে তার বাবার জিম্মায় দেওয়ার নিম্ন আদালতের আদেশ বহাল রেখেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রিভিশন মামলার শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বরগুনা সদরের বাসিন্দা মো. সোলায়মানের স্ত্রী মোনালিসা জেরিন ২০২৫ সালের ৬ জুন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এরপর তাদের একমাত্র কন্যা মোসা. রুকাইয়া ইসলাম ইয়ানার জিম্মা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

শিশুটির খালা শারমিন সুলতানা আসমা দাবি করেন, জন্মের পর থেকেই শিশুটি তার কাছে লালিত-পালিত হয়ে আসছিল এবং তার বাবা শিশুটিকে জোরপূর্বক নিয়ে গিয়ে আটকে রেখেছেন। এ অভিযোগে তিনি ২০২৬ সালের ২৭ মে বরগুনার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় এমপি মামলা নং-৩০২/২০২৬ দায়ের করেন।

আদালতের নির্দেশে পুলিশ ৪ জুন শিশুটিকে উদ্ধার করে আদালতে হাজির করে। পরে ১৮ জুন উভয় পক্ষের শুনানি শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি নথিজাত করে শিশুটিকে তার বাবার জিম্মায় রাখার নির্দেশ দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে বাদী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি রিভিশন দায়ের করেন।

বুধবার রিভিশন মামলার শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালত নিম্ন আদালতের আদেশ বহাল রেখে শিশুটিকে তার বাবার জিম্মায় রাখার সিদ্ধান্ত দেন।

বিবাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. সাইফুল ইসলাম সোহেল বলেন, মুসলিম পারিবারিক আইন ও ১৮৯০ সালের গার্ডিয়ানস অ্যান্ড ওয়ার্ডস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বাবা তার নাবালক সন্তানের স্বাভাবিক ও আইনগত অভিভাবক।

তার দাবি, বাবা জীবিত থাকা অবস্থায় সন্তানের হেফাজত তার কাছে থাকলে সেটিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারার অধীনে ‘অন্যায় আটক’ হিসেবে গণ্য করার সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, শিশুটির বাবা ও দাদির তত্ত্বাবধানে বর্তমানে সে নিরাপদ ও স্বাভাবিক পরিবেশে রয়েছে। আদালতের এ আদেশের মাধ্যমে আইনের সঠিক প্রয়োগের পাশাপাশি শিশুটির সর্বোত্তম স্বার্থ ও কল্যাণ নিশ্চিত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...