• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এই নারী আমার স্ত্রী নন, জামায়াত নেতার সাবেক বউ: গোলাম মাওলা রনি মিরপুরে ২০ টি ককটেলসহ সাবেক নিষিদ্ধ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার বরিশালে কীর্তনখোলা নদীতে পড়ে যাওয়া ফুটবল তুলতে নেমে স্রোতে ভেসে গেল এক কিশোর নতুন কুঁড়ি সিজন-১ প্রতিযোগিতায় দেশ সেরা কাবাডি খেলোয়াড় মীর সাফি বজ্রপাতে নিহত ছয় কবর ঘিরে রহস্যময় আতঙ্ক, রাত জেগে পাহারায় স্বজনরা ভাগ্নিকে ধর্ষণের অভিযোগে মামা গ্রেফতার সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পিটিয়ে হত্যা, যুবদল নেতা রিমান্ডে রাজধানীর দুই স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, মোহাম্মদপুরে ট্রাকে আগুন ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নিয়ম, বাধ্যতামূলক অঙ্গীকারনামা পিরোজপুরে জেলায় দীর্ঘ ৩৫ বছর পর নতুন জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রব

ছেলেকে চিকিৎসক, মেয়েকে নার্স বানানোর পর বাবার এসএসসি পাস

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

ছেলেকে চিকিৎসক ও মেয়েকে নার্স বানানোর পর ৫৪ বছর বয়সে এসএসসি পাস করলেন বাবা আলী আকবর। তিনি রাজশাহীর নওহাটা সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি উচ্চবিদ্যালয়ের কারিগরি শাখার বিল্ডিং মেইনটেন্যান্স ট্রেড থেকে পরীক্ষা দিয়ে জিপিএ ৪ দশমিক ৩৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাঁর এই সাফল্যে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি প্রতিবেশীরাও আনন্দিত।

পেশায় বেসরকারি হাসপাতালের কর্মী আলী আকবরের বাড়ি নাটোরের বাগাতিপাড়া পৌর সদরে। তাঁর ভাষ্য, ‘পড়ালেখার জন্য বয়স কোনো বাধা নয়। ইচ্ছাশক্তি, মনোবল ও অধ্যবসায় সাফল্য এনে দিতে পারে। এই সত্যটাকে আমি প্রতিষ্ঠিত করেছি।’

স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, ছয় ভাই ও পাঁচ বোনের সংসারে আকবর দ্বিতীয়। বাবার সীমিত আয়ে সংসার চালাতে কষ্ট হলেও তিনি গ্রামের একটি মাদ্রাসায় পড়ালেখা শুরু করেছিলেন। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পর ১৯৮৩ সালে পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যায়। ক্ষুদ্র ব্যবসা করে বাবাকে সহযোগিতা করতেন। ১৯৯০ সালে বিয়ে করেন।

এক ছেলে ও এক মেয়ের জন্মের পর সপরিবার রাজশাহীতে চলে যান আলী আকবর। সেখানে স্বামী-স্ত্রী দুজন একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি নেন। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার খরচ বাঁচিয়ে সংসারের অন্য খরচ মেটানো কঠিন হয়ে যেত। তবু হাল ছাড়েননি তিনি। ২০১৫ সালে মেয়েকে নার্সিং পাস করান। ছেলেকে ভর্তি করেন মেডিক্যাল কলেজে। ২০১৯ সালে এমবিবিএস পাস করে বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেন ছেলে। ৪২তম বিসিএসে চিকিৎসক হিসেবে চাকরি করছেন তিনি।

ছেলে চিকিৎসক ইসমাইল হোসেন গণমাধ্যমে বলেন, ‘বাবা পারিবারিক আলোচনায় লেখাপড়া শুরুর কথা বলতেন। আমরা তাঁকে উৎসাহ দিতাম। তাঁকে স্কুলে ভর্তির সব ব্যবস্থা করে দিই। লেখাপড়াতেও সহযোগিতা করতাম। বাবা এসএসসি পাস করায় আমরা ভীষণ খুশি হয়েছি। আমরা চাই, বাবা আরও পড়ালেখা করুন।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...